‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক’ এর জন্য আবেদনের শেষ সময় ৪ আগস্ট

14

যুগবার্তা ডেস্কঃ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদ-নদীকে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, নদী দখলরোধ, শিল্পকারখানা কর্তৃক সৃষ্ট বর্জ্য এর দূষণরোধ, পরিবেশ দূষণরোধ, নদীর তীরে ও অভ্যন্তরে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণসহ নদী ভরাটরোধ, নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রবাহ রক্ষার কাজে সহায়তাদান, নদীকে নৌচলাচলে উপযোগী করে নদীর বহুমাত্রিক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং নদীকে দূষণ ও অবৈধ দখল ভরাটমুক্ত করে স্বাভাবিক রুপে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের জন্য নিয়োজিত প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তিকে ‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক’ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

বর্ণিত কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তিকে উপজেলা, জেলা অথবা নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে নির্ধারিত ফরম সংগ্রহ করে আগামি ৪ আগস্টের মধ্যে আবেদন করার অনুরোধ করা হয়েছে। সংশ্লিস্ট জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।
এলক্ষ্যে নদী রক্ষায় ‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক’ জাতীয় পর্যায়ে ব্যক্তি/ প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থাকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৮ আঠার ক্যারেট মানের ৫০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, নগদ ৭৫,০০০ (পঁচাত্তর হাজার) টাকা ও সার্টিফিকেট এবং বিভাগীয় পর্যায়ে ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠান, সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত সংস্থাকে বিশেষ অবদানের জন্য ১৮ আঠার ক্যারেট মানের ৩০ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, নগদ ৫০,০০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকা ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। বিভাগীয় পর্যায়ে একটি করে মোট আটটি এবং জাতীয় পর্যায়ে তিনটি পদক প্রদান করা হবে।
পদক প্রদান সংক্রান্ত নির্দেশিকা অনুসারে উপজেলা, জেলা, বিভাগীয় এবং জাতীয়/কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে কিংবা সুবিধামত সময়ে ‘বিশ্ব নৌদিবস’ এর দিন পদক প্রদান করা হবে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পুরস্কারের সংখ্যা ও মূল্যমান বাস্তবতার নিরিখে পরিবর্তন করতে পারবে। প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু নদীপদক নীতিমালা-২০১৯’ অনুমোদন করেছেন।