ফরহাদ মজহারকে ‘খুঁজে’ পাওয়া যাচ্ছে না

যুগবার্তা ডেস্কঃ কবি, লেখক ও কলামিস্ট ফরহাদ মজহারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে ধারণা করছেন পরিবারের সদস্যরা। সোমবার ভোর চারটার দিকে একজন পরিচিত ব্যক্তির ফোন পেয়ে তিনি বাসা থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর থেকে আর তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। আদাবর থানার এসআই মোহসিন এর বরাত দিয়ে পরিবর্তন ডটকম এ তথ্য জানিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে ফরহাদ মজহারের এক আত্মীয় থানায় এসে অভিযোগ করেন, তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ভোর চারটার দিকে পরিচিত এক লোকের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আর তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি।’
এসআই মোহসিন আরো বলেন, ‘ফরহাদ মজহারের বাসায় এখন শুধু তার স্ত্রী রয়েছেন। ওই ঘটনায় এখনো কোনো জিডি বা মামলা হয়নি। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর ওসি ও ইনস্পেক্টর তদন্ত ফরহাদ মজহারের বাসায় গিয়েছেন। তারাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।’

এদিকে তাকে অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবী করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা । পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এক পরিচিত ব্যক্তির ফোন পেয়ে সোমবার ভোর পাঁচটা ছয় মিনিটের দিকে রাজধানীর শ্যামলীর বাসা থেকে ফরহাদ মজহার বের হন। এরপর থেকে আর তার সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না।

ফরহাদ মজহারের ঘনিষ্ঠ ও চিন্তা পাঠচক্রের অন্যতম এক সমন্বয়ক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘কবি ফরহাদ মজহারকে সোমবার ভোরে রাজধানীর শ্যামলী থেকে অপহরণ করা হয়েছে। তিনি বাসা থেকে ভোর পাঁচটা ছয় মিনিটের দিকে বের হন। পরে পাঁচটা ২৯ মিনিটে স্ত্রী ফরিদা আখতারকে ফোন করে ভয়ার্ত কণ্ঠে বলেন- ‘ওরা আমাকে নিয়ে যাচ্ছে, ওরা আমাকে মেরে ফেলবে’। এরপর ফরহাদ মজহারের ফোন বন্ধ হয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘পরে সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে একই নম্বর থেকে ফোন থেকে ফরিদা আখতারের কাছে ৩৫ লাখ টাকা চাওয়া হয়। এভাবে কয়েকবার ফোন করা হয়। পরে ফরহাদ মজহারকে অপহরণের বিষয়টি আইনশৃংখলা বাহিনীকে অবহিত করা হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাসার ভিডিও ফুটেজেও দেখা গেছে, ফরহাদ মজহার নেমে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে রাজধানীর আদাবর থানায় ঘটনাটি জানানো হয়েছে। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোবাইল ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান প্রথমে মানিকগঞ্জ ও পরে মাগুরায় পেয়েছে বলে আমাদের জানিয়েছেন। পাটুরিয়া ফেরিঘাট দিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

পরিবারের বরাতে আদাবর থানার এসআই মোহসিন পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে ফরহাদ মজহারের এক আত্মীয় থানায় এসে অভিযোগ করেন, তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ভোরে পরিচিত এক লোকের ফোন পেয়ে বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এরপর আর তার সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফরহাদ মজহারের বাসায় এখন শুধু তার স্ত্রী রয়েছেন। ওই ঘটনায় এখনো কোনো জিডি বা মামলা হয়নি। তবে অভিযোগ পাওয়ার পর ওসি ও ইনস্পেক্টর তদন্ত ফরহাদ মজহারের বাসায় গিয়েছেন। তারাই এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন।’-পরিবর্তন ডটকম