প্রতিবন্ধীদের জীবনমানোন্নয়নে বাংলাদেশ গ্লোবাল লীডার–সমাজকল্যাণমন্ত্রী

24

যুগবার্তা ডেস্কঃ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ এম পি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতার কারনে দেশের অবহেলিত, দুস্থ ও অসহায় প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী সমাজের মূলস্রােতে এসেছে। প্রতিবন্ধীদের জীনমান উন্নয়নে বাংলাদেশ গ্লোবাল লীডার হিসেবে কাজ করছে।

মন্ত্রী আজ রাজধানীর বাংলামোটরস্থ নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ট্রাস্টের মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী ট্রাস্টের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ গোলাম রাব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরিফ আহমেদ এম পি ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মিজ্ জুয়েনা আজিজ ।
মন্ত্রী বলেন, প্রতিবন্ধীদের সমাজের মূলস্রােতে আনতে শিক্ষার বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রতিবন্ধীদের জন্য স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন সংক্রান্ত নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সম্পর্কিত সমন্বিত/বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯ এবং নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী(এন ডি ডি) ব্যাতীত প্রতিবন্ধীতা সম্পর্কিত সমন্বিত/ বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯-এর খসড়া ইতোমধ্যে অনুমোদিত হয়েছে। এ নীতিমালা দু’টির আলোকে প্রতিবন্ধীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনুমদোন দেয়া হবে। যত্রতত্র নামে বেনামে প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় স্থাপন বন্ধ হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিবন্ধীদের নিয়ে প্রথম ভেবেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি প্রতিবন্ধীদের জন্য সর্বপ্রথম সমনি¦ত শিক্ষা কার্যক্রম চালু করেছিলেন। তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিকতায় সারা দেশে প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ ও ডাটাবেজ তৈরির কাজ চলছে এবং চলতি অর্থবছর হতে শতভাগ প্রতিবন্ধীকে ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিবন্ধীও অটিজম নিয়ে বাংলাদেশের উদ্যোগ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে। প্রতিবন্ধী বিষয়ক বিভিন্ন গ্লোবাল ফোরামে বাংলাদেশ সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে।
সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বাঙালীর স্বার্থ রক্ষায় ছিলেন অনড় ও অটল। সমাজের অবহেলিত প্রতিটি মানুষের কথা তিনি ভাবতেন। শোককে শক্তিতে পরিণত শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করে সোনার বাংলা গঠনে সবাইকে এক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে।
পরে মন্ত্রী চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন।