পাটকল বন্ধ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঘোষনার কফিনে আরেকটি পেরেক মারা হলো

4

‘অবশেষে পাটকল রক্ষার সকল যুক্তিতর্ক, প্রস্তাবনা ও শ্রমিকদের দাবীকে উপেক্ষা করে আজ থেকে রাষ্ট্রায়ত্ব সকল পাটকল বন্ধ করলো সরকার। যা জাতীয় জীবনে দুঃখ ,হতাশা ও মর্মবেদনার কারণ হয়ে থাকলো।’
পাটকল বন্ধ করার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চুড়ান্ত ঘোষনার প্রেক্ষিতে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি কামরূল আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল হক আমিন আজ এক প্রতিক্রীয়া বার্তায় বলেন, এই সিদ্ধান্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ঘোষনার কফিনে আরেকটি পেরেক মারা হলো। তারা বলেন, বাংলাদেশের অভ্যুদয়, সংগ্রামের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পাট চাষ, পাটশিল্প এবং পাটজাত দ্রব্য ওতপ্রোত ভাবে যুক্ত। ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ছয়দফা ও স্বায়ত্বশাসন আন্দোলনকে পাট কেন্দ্রীক এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য হিসেবে তুলে ধরেছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধু পাটকল গুলোকে জনগণের মালিকানায় নিয়ে ১৯৭২ সালের ১৬ মার্চ রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-২৭ এর মাধ্যমে জাতীয়করণ করেছিলেন। এ আদেশে পাটকল পরিচালনার জন্য বিজেএমসি গঠিত হয়েছিল; লক্ষ্য ছিল পাট ও পাটশিল্পের বিকাশ। ‘৭৫ পরবর্তী সামরিক সরকার গুলোর সীমাহীন অবহেলা আর ঔদাসিন্যে পাট খাত পিছিয়ে পড়ে। ১০০% শতাংশ মূল্য সংযোজনের সম্ভাবনা ছিল পাট খাতে, যা কাজে লাগানো যায়নি।