পর্যটন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে–প্রধানমন্ত্রী

যুগবার্তা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন পর্যটন দেশসমূহের মাঝে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করে তাই দেশের উন্নয়নে পর্যটন শিল্পের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এই খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান হস্থান্তর, পেশাগত দক্ষতা বাড়ানো ও উন্নত প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামো সৃষ্টিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার কাজ করছে।
তিনি মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ওআইসি (অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কনফারেন্স) ভূক্ত দেশসমূহের পর্যটন মন্ত্রীদের দশম সস্মেলন (আইসিটিএম) উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কথা বলেন।

কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর নির্মিত হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে বিদেশিরা সরাসরি কক্সবাাজর যাওয়ার সুযোগ পাবেন এবং এ বিমান বন্দর প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সংযোগের হাব হয়ে উঠবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে সরকার পর্যটন নীতি ঘোষণা করে এবং পর্যটনকে থ্রাস্ট সেক্টর হিসেবে ঘোষণা করে। মুসলিম দেশসমূহে যেভাবে পর্যটন শিল্প বিকশিত হচ্ছে তাতে করে এই সম্মেলন রিলিজিয়াস ট্যুরিজম ও হালাল ট্যুরিজমকে প্রমোট করবে এবং পর্যটনের ক্ষেত্রে এগিয়ে যাবার অভিন্ন কর্মকৌশল নির্ধারণে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল এমপি, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এমপি, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি কর্নেল (অব.) ফারুক খান এমপি, ওআইসি’র মহাসচিব ইউসুফ আল-ওথাইমেন, নাইজারের পর্যটন মন্ত্রী বোট্টো আহমেত, বিমান ও পর্যটন সচিব এসএম গোলাম ফারুক প্রমুখ।

সম্মেলনে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী একেএম শাহজাহান কামাল এমপি আইসিটিএম ( ইসলামিক কনফারেন্স অব ট্যুরিজম মিনিস্টার) এর নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানের পর শুরু হয়েছে মিনিস্ট্রিয়াল অধিবেশন। এ অধিবেশন শেষে ঢাকা ঘোষণার মাধ্যমে এ সম্মেলন শেষ হবে। আগামীকাল বুধবার অতিথিদের জন্য একটি টেকনিক্যাল ট্যুর আয়োজন করা হয়েছে।