পর্ণোগ্রাফি মামলায় মন্ত্রীর পদত্যাগ

ফজলুল বারীঃ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে–র নির্দেশে পর্ণোগ্রাফি মামলায় বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করলেন মে ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী তথা স্বরাষ্ট্রসচিব ড্যামিয়েন গ্রিন। প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগের চিঠি দিয়ে গ্রিন লিখেছেন, মন্ত্রিত্বের বিধি ভাঙার জন্য তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। ওই ঘটনায় তিনি ক্ষমাপ্রার্থী। এছাড়া তাঁর ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক সমালোচক কেট মাল্টবি যদি অসন্তুষ্ট হযে থাকেন, সেজন্যও তাঁর কাছে ক্ষমা চান গ্রিন। গ্রিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন টেরেসা। এই ঘটনায় জনমানসে টেরেসা মে সরকারের ভাবমূর্তি ধাক্কা খেল এবং ব্রেক্সিট ইস্যুতে চাপে পড়ে গেলেন তিনি বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। কারণ, ২০১৯–এর মার্চের পরও ইওরোপীয় ইউনিয়নে ব্রিটেনের থাকার পক্ষেই মত দিয়েছিলেন গ্রিন। যা কিছুটা অক্সিজেন জুগিয়েছিল বিভিন্ন দলীয় গণ্ডগোলে জর্জরিত টেরেসাকে। গত মাসে একটি ব্রিটিশ সংবাদপত্র রিপোর্টে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, ২০০৮ সালে পুলিস ব্রিটিশ পার্লামেন্টে গ্রিনের কক্ষের কম্পিউটারে পর্ণোগ্রাফি পেয়েছিল। ৬১ বছরের মন্ত্রী সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন। অভিযোগ নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তে নামে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। তদন্তে জানা যায়, পর্ণোগ্রাফি নিজের অফিস কম্পিউটারে ডাউনলোড করার ব্যাপারে প্রকাশ্যে ভুল তথ্য দিয়েছিলেন গ্রিন। তারপরই তাঁকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। অভ্যন্তরীণ তদন্তে আরও প্রকাশিত, ২০১৫ সালে একটি অনুষ্ঠানে এক পারিবারিক বন্ধুর মেয়ের সঙ্গেও অশালীন আচরণ করেছিলেন গ্রিন।