নেতাকর্মী এলাকাবাসীর প্রিয় ডা আজিজ ভাই

143

সুব্রত মণ্ডল: প্রতিটি মানুষেরই স্বপ্ন থাকে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করার। যারা মহান তারা কেবল নিজেই এভারেস্ট জয় করেন না অন্যকেও টেনে তুলেন এবং অন্যের মাঝেও সেই স্বপ্ন বুনে দেন পর্দার অন্তরালে বসে নিরবে-নিভৃতে। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখনকার বইয়ের পঙক্তিমালা মনে না থাকলেও ভবিষ্যতে কি হতে চাই সে স্বপ্নের বীজ ঐ শৈশবেই রোপিত হয়েছিল। দেখা যায় অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমাদের পুস্তকে লেখা থাকে ‘আমি বড় হয়ে ডাক্তার হব, গরীব দু:খী মানুষের সেবা করব।’ আসলে যারা স্বপ্ন দেখতেন ডাক্তার হব, গরীব দু:খী মানুষের সেবা করব। তারা কি সত্যই ডাক্তার হতে পেরেছে? না। চিকিৎসকদের জীবনের আনন্দ উপভোগ করার সময় চলে যায় পড়াশুনা আর রোগীর সেবা করে। বলা চলে, সংসার জীবন যুদ্ধে দরিদ্র অসহায় সৈনিক চিকিৎসকরা। এ অসহায় জীবন যুদ্ধের বাইরেও ভিন্ন মতাদর্শের স্বপেশার ভাই দ্বারা অবহেলার শিকার হন প্রায়ই। এই অবহেলিত চিকিৎসকদের আগলে রাখারও কিছু মানুষ রয়েছেন।তারা পর্দার অন্তরালে থেকে স্বজাতি ভাইদের বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করার জন্য সর্বদা নিজেকে প্রস্তুত রাখেন।

                                      18527176_442145829471727_420926597086898871_o

পাশাপাশি যে মাটিতে জন্ম হয়েছে তার দায় মেটাতে ( জন্ম ভিটা) তাদের নাড়ির টানে ছুটে চলতে হয় প্রতিনিয়ত। তবে নাড়ির টানে ফেরা চিকিৎসকদের সংখ্যা খুব কম।এ চিকিৎসকরা আবার সুস্থ্য সমাজে বাস করেন এমন নয়, অসুস্থ্য এবং রুগ্ন রাজনীতির শিকারও হন তারা। এ রাজনীতি লবিং তদবির বাজীর রাজনীতি, তেলবাজি করে পদধারী নেতা হওয়ার রাজনীতি। এখানে ডাক্তারদের নিরন্তর সংগ্রাম করে টিকে থেকে, গরীব মানুষের সেবা করতে হয়। লড়াই সংগ্রাম করতে হয় অপরাজনীতির বিরুদ্ধে ।

             22007425_10209247371371699_9084835993848279712_n20638764_10209903458372000_5051327653760338733_n

বিভিন্ন কর্মসূচিতে স্বাচিপ নেতা

এখন প্রশ্ন হল এ রাজনীতি তবে করার প্রয়োজন কি? প্রশ্নটি অবান্তর মনে হলেও বাস্তবতা এই, বাংলাদেশ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে পাকিস্তানী শত্রু পক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে মহান স্বাধীনতা অর্জন করেছে । বিশ্ব মানচিত্রে স্থান করে নিতে এ দেশের ত্রিশ লক্ষ মানুষের প্রাণ দিতে হয়েছে । সেখান থেকেই বাংলাদেশে দুটো রাজনীতির ধারা সৃষ্টি হয়েছে।একটি স্বাধীনতার স্বপক্ষের ধারা, যারা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ লালন করে রাজনীতি করে আরেকটি হল মানুষের রক্ত পিপাসু ধারা। যারা আজকের জামাত বিএনপির মত জীবন্ত স্বপ্ন জয়ী মানুষ হত্যাকারী। এই জামায়াত বিএনপির জন্মই হল খুনাখুনি আর অন্যর তাবেদারে গিয়ে দফাদারি করা। বিএনপির জন্ম হয়েছিল সেনা ব্যারাকে এক রক্তাক্ত অভ্যূত্থানের মধ্য দিয়ে। আর জামাত সৃষ্টি হয়েছে দেশকে জঙ্গীবাদ রাষ্ট্র কায়েম আর নির্বিচারে বাঙালী নিধনের ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে। আর এ বিএনপি জামায়াত সুযোগ পেলেই মানুষ হত্যা করে রক্তের হলি খেলায় মেতে ওঠে।

    19221793_1768490086510947_7596784633788921301_o19366039_10210302324171598_7900031289718707488_n

নেতাকর্মীদের বলয়ে স্বাচিপ নেতা অধ্যাপক ডা এমএ আজিজ

এ দুই চক্র সুকৌশলে চিকিৎসকদের হাত করে দেশের নিরীহ জনগণকে মৃত্যুর মুখে ফেলে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে সর্বদা ব্যস্ত। এরা সর্বদা ব্যস্ত বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে। কারণ মানুষের চারটি মৌলিক চাহিদা অন্ন-বস্তের, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষা। এদের যেকোন একটিতে গোল পাকিয়ে দিলেই সরকার ব্যর্থ হবে, দেশ পরিণত হবে ব্যর্থ রাষ্ট্রে।
আর এদের প্রতিহত করতেই ১৯৯৩ সালে বঙ্গবন্ধুর আদের্শে বঙ্গ কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  গড়ে তুলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ)। কিন্তু সেখানেও এ খুনী চক্র ভোল পাল্টে ঢুকে পড়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন না করেও তারা এ সংগঠনের সুযোগ সুবিধা পেতে চাচ্ছে।যার ফলে দেশের শীর্ষ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ হাসপাতালে এবং সরকারের স্বাস্থ্য খাতকে লুটেপুটে খেতে মড়িয়া এ খুনী চক্র।

এদের প্রতিহত করার জন্য স্বাচিপ নেতাদের অগ্রণী ভুমিকা পালন করছেন। আর যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে সেই ছোট সময় থেকেই বড় হওয়ার প্রতিটি স্তরে স্তরে সেই আদর্শের পথে কাজ করছেন তারা আজও প্রতিষ্ঠা পায় নি যথাযথভাবে। এসব বঞ্চিত চিকিৎসকদের সুযোগ দিতে স্বাচিপ কাজ করে যাচ্ছে। অন্তরে দেশ ও মানুষের সেবা করার লক্ষে নীরবে নিভৃতে কাজ করে যাচ্ছেন স্বাচিপ নেতাকর্মীরা। আগলে রেখেছেন তার আদর্শের স্ব-জাতী ভাইদের। এ পেশাই তেমনি একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারী প্রচার বিমুখ মানুষ চক্ষু বিশেষজ্ঞ স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ।পাশাপাশি তিনি নিজ জন্ম ভিটার দায় মেটাতেও ব্যপৃত রয়েছেন।সময় পেলেই ছুটে চলেন তার নিজ গ্রামের পথে প্রান্তরে। তার নিজ গ্রামের প্রতিটি সামাজিক ধর্মীয় উৎসবে তার দেখা মেলে সাধারণ জনতার কাতারে। কখনো ছুটে চলেন গ্রামের মানুষদের দুঃখের কথা শুনতে । কখনো বা তাদের দ্বারে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সরকারের উন্নয়নের চিত্র তুলতে ধরতে। আবার কখনো বা কারো বিপদে। তবে সময় তিনি তার এলাকাবাসীর চিকিৎসা সেবা দিয়ে আসছেন নিরলসভাবে। এ চিকিৎসেবা তিনি ছাত্রাবস্থা থেকেই নিজ এলাকার মানুষ ছাড়াও অসহায় বিভিন্ন মানুষের জন্য করে থাকেন। তাই তিনি ‌এলাকায় ‘অধ্যাপক ডা এম এ আজিজ স্যার’’ থেকে প্রিয় মানুষ ‘‘ডা  আজিজ ভাই’’ হয়ে ওঠেছেন।

22089926_999943590165017_6472533800124575668_n 22552424_1012413172251392_3006995000533401318_n

নিজ এলাকায় সামাজিক অনুষ্ঠানে স্থানীয়  ডা আজিজ ভাই

যার জীবনের অধিকাংশ সময় কেটেছে আগত রোগীদের মাঝে চিকিৎসা সেবা দেবার সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন ও প্রচার করে করে। পাশাপাশি মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিররোধী আন্দোলন সবার মাঝে ছড়িতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সততা ও ন্যায় নীতির কাছে কখন হার মানেন নি তিনি। শত্রু পক্ষ বার বার তাকে পেশাজীবী রাজনীতি থেকে সড়িয়ে দিতে ষড়যন্ত্র করেছে । কিন্তু তার কর্মীদের ভালবাসা সে ষড়যন্ত্র নসাৎ করে দিয়েছে বারংবার । তাই আওয়ামীলী দল যখন ক্ষমতার বাইরে তখন তিনি তার সমকালীন আওয়ামী রাজনীতির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন । সেখান থেকেই জামায়াত বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী অপরাজনীতির বিরুদ্ধে লড়েছেন। তারই পুরুষ্কার স্বরুপ অধ্যাপক ডা এমএ আজিজকে গণতন্ত্রের মানসকন্যা বিদ্যানন্দিনী দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর স্বাচিপ মহাসচিবে পদে মনোনিত করেছেন।

20664799_1638216756197815_7216988953312897608_n 13912643_1263955553616157_2423359682193977345_n

অধ্যাপক ডা. আজিজের রাজনৈতিক জীবন লক্ষ্য করলে দেখা যায়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ যখন বিরোধীদলে যখন দলীয় নেতাকর্মীরা বিএনপি জামায়াত দ্বারা আক্রান্ত তখন স্বাচিপে ব্যানারে এই আজিজরাই এগিয়ে এসেছিলেন, ভূমিকা রেখেছিলেন রাজপথ, সভা-সেমিনারে। আজ যখন আওয়ামিলীগ সরকার ক্ষমতায় স্বাভাবিকভাবে পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃত্ব বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক আজিজদের হাতেই থাকার কথা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, জামায়াতী অর্থ-বিত্ত এবং ক্ষমতার কাছে তারা দীর্ঘদিন অসহায় হয়েছিলেন। তবু তখন তারা আদর্শ্যচ্যুত হননি। তখনো তাদের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা এবং অনুজদের হৃদয়ে গেঁথে রয়েছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের প্রতিচ্ছবি হিসেবে। সে লড়াই সংগ্রামের অগ্রসৈনিক আজকের স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক ডা এম এ আজিজ।

             23561863_1984072234941772_4485813545369895308_n23621501_1984072404941755_2566024766091745954_n

অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ ময়মনসিংহ জেলার সদর উপজেলার ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর বড়বিলা গ্রামে এক আওয়ামী পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতা হাসান আলী ছিলেন একজন আওয়ামীলীগের কর্মী ।
অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ মৃতুঞ্জয় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৬ সালে ঢাকা বোর্ডের অধীন বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়ে বিখ্যাত আনন্দমোহন কলেজে ভর্তি হন। সেখান থেকে ১৯৭৮ সালে একই বোর্ড থেকে বিজ্ঞান বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। আর সেখান থেকেই সক্রিয়ভাবে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন ১৯৮২ সালে । এরপর ছাত্র রাজনীতিতে তার পথ চলতে থাকে বিদ্যুৎ গতিতে । তাকে আর ফিরে তাকাতে হয় নি। ১৯৮৩ সালে শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং পরের বছর ১৯৮৪ সালে ভারমুক্ত হয়ে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া এ ছাত্র সংগঠনের। একই বছর ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৮৫ সালে এমবিবিএস পাস করে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ), ময়মনসিংহ শাখার সেন্ট্রাল কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। ১৯৮৯ সালে এ সংগঠনের নেত্রকোনা জেলার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ছাত্রজীবনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ করার ফলে ১৯৯৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ভাতৃপ্রতিম পেশাজীবি সংগঠন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পদ লাভ করেন । ১৯৯৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় তৎকালীন আইপিজিএম এন্ড আর এর হোস্টেল ওয়েল ফেয়ার কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকও তিনি নির্বাচিত হন । ১৯৯৬ সালে বিএমএ এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য পদ লাভ করেন। এর দু বছর পর ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।

22519504_1012413465584696_1533546583912317757_n 20664799_1638216756197815_7216988953312897608_n

২০০১ সালে যখন আওয়ামীলীগ সরকার নির্বাচনে হেরে যায় তখন আওয়ামী লীগের সহযোগী, ভ্রাতৃপ্রতিম, অঙ্গ সংগঠনের নেতারা বিএনপি জামায়াতের রোষানলের ভয়ে সব দলীয় সাংগঠনিক দায় দায়িত্ব থেকে দূরে সড়ে পালিয়েছেন। তখনও অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ বঙ্গবন্ধুর আদর্শের দৃঢ়তা থেকে আওয়ামীলীগের চিকিৎসকদের সংগঠন স্বাধীনত চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনিত হন। আওয়ামী সরকার বিরোধী থাকাকালীন সময়ে তিনি বিভিন্ন সময়ে সভা সেমিনার মাঠে ময়দানে বিএনপি জামাত জোটরে বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। এর পর ২০০৯ সালে বিএমএ এর যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন । রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সহজভাবে পরিচালনা করার জন্য ২০১০ সালের ৪ ঠা জানুয়ারিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতা পেশা থেকে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। এর পরে থেকে তিনি ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে যোগ দান করেন।
বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরীকালীন সময় সরাসরি রাজনীতি করায় বাধা নিষেধ না থাকায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ডাক্তারদের কাছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন। ঐক্যবদ্ধ করেছেন স্বাধীনতা স্বপক্ষ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালনকারী চিকিৎসকদের।
দেশে প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৃথিবীর ‘দ্বিতীয় ঈশ্বর’ খ্যাত ডাক্তার যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চলে তাদের দক্ষ হাতে সংগঠিত করে রেখেছেন তিনি। ২০১২ সালে ফের তার স্বীকৃত স্বরূপ তিনি বিএমএ’র যুগ্ম মহাসচিব নির্বাচিত হন।বর্তমানে তিনি ডা.সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজে অধ্যক্ষ পদে নিয়োজিত আছেন।পাশাপাশি নিজ নির্বাচনী এলাকা ছাড়াও দেশের প্রাকৃতিক বিপর্যয় বন্যায় অসহায় মানুষের পাশে চিকিৎসা সেবা দুস্থদের কাছে ত্রাণ নিয়ে যান।চলতি বছর বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণও পৌঁছে দিয়েছেন।বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগ যাতে না ছড়াতে পারে সে ব্যাপারে তার স্বাচিপের নেতা কর্মীদের দুর্গত এলাকায় অবস্থান নিতে নির্দেশ দিয়েছেন। ময়মনসিংস সদর আসন থেকে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়াতে চান স্বাচিপের বর্তমান মহাসচিব ডা আজিজ।