নারী ও শিশু নির্যাতন-ধর্ষণের বিরুদ্ধে গণআন্দোলন সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে–সিপিবি

যুগবার্তা ডেস্কঃ সারাদেশে অব্যাহত নারী শিশু নির্যাতন, খুন, ধর্ষণের বিরুদ্ধে ও ধর্ষণকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সপ্তাহব্যাপি কর্মসূচির অংশ হিসাবে আজ প্রেসক্লাবের সামনে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি করেছে সিপিবি নারী সেল।

বক্তরা বলেন, নুসরাত হত্যার পেছনের ঘটনা প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয় জনগণের তীব্র আন্দোলন ব্যতিত কোন কিছুই সহজভাবে হয় না। নুসরাত হত্যার পর সারাদেশে যেভাবে আন্দোলন গড়ে উঠেছে তার কারণে প্রশাসন ঘটনার সাথে যারা জড়িতদের গ্রেফতারে বাধ্য হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে এই ঘটনার সাথে ক্ষমতাসীন দলের বিভিনś পর্যায়ের নেতারা জড়িত। তাদের শাস্তি সুনিশ্চিত করতে হবে। দেশের কোথাও ন্যূনতম গণতন্ত্র নাই, বিচার নাই যার কারণে একের পর এক এ ধরনের ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের কোথাও মানুষ নিরাপদ নয়, সর্বত্র ˆনরাজ্যের কারণ ‘রাষ্ট্র ক্ষমতায় যারা রয়েছে’ ক্ষমতায় টিকে থাকা ও লুটপাট করা তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। যার কারণে সমাজে দুর্বৃত্তদের উপর নির্ভর করে আজকে তারা চলছে। আর দুর্বৃত্তরা সেই সুযোগে সমাজে খুন, ধর্ষণ করে অনায়াসে পার পেয়ে যাচ্ছে। তাই অপরাধীদের কঠিন শাস্তি নিশ্চিত করতে নারী ও শিশু নির্যাতন-ধর্ষণের বিরুদ্ধে সারাদেশে গণআন্দোলন এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বক্তরা আরও বলেন, অতীতের যে কোন একটারও বিচার যদি হতো তাহলে অপরাধীদের অপরাধ সংঘটনে ভয় থাকত। বরং অপরাধীরা প্রশাসনের কাছে, সরকারি দলের কাছে আশ্রয় পাচ্ছে মদদ পাচ্ছে। যার কারণে ভয়ংকরভাবে বেড়ে গেছে অপরাধ। এর বিরুদ্ধে সমাজের প্রগতিশীল সকল মানুষের অংশগ্রহণে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

‘নারী নির্যাতন প্রতিরোধ সপ্তাহের’ ঘোষিত কর্মসূচির আংশ হিসেবে সকাল ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত প্রেসক্লাবের সামনে প্রতীকী অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়। কমরেড লক্ষ্মী চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোহাম্মদ শাহ আলম, কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক কমরেড জলি তালুকদার, কমরেড মাকসুদা আকতার লাইলী, সমাজতান্ত্রিক নারী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শম্পা বসু, রোকেয়া বেগম, সেলিনা হাই, রাশেদা কুদ্দুস রানু। সভা পরিচালনা করেন নারী সেলের সদস্য কমরেড লুনা নূর প্রমুখ ।