নদী দিবসের আগেই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে

যুগবার্তা ডেস্কঃ আলো-বাতাস-পানিকে কেউ কখনো বাধা প্রদান করে রাখতে পারেনি। প্রকৃতির এই পানিকেও কেউ বাধা প্রদান করে বেশি দিন রাখতে পারেনি, পারবেও না। আর তাই ভারত-বাংলাদেশ বর্তমান সরকারের মেয়াদকালেই আলোচিত তিস্তার চুক্তি সম্পন্ন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন কবীর চৌধুরী তন্ময়।

রবিবার বিকাল সাড়ে চারটায় রাজধানীর শিশুকল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘নদী সংস্কার পানি শাসন ও ব্যবহার সংগ্রাম পরিষদ বাংলাদেশ’ কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করেন বাংলাদেশ অনলাইন অ্যাক্টিভিষ্ট ফোরাম (বোয়াফ) সভাপতি কবীর চৌধুরী তন্ময়।

আলোচনা সভায় সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই আমরা খুব শীঘ্রই তিস্তা চুক্তির আলোর মুখ দেখতে পাবো। ইতোমধ্যেই এই চুক্তি নিয়ে দু’দেশের মধ্যে ব্যাপক আলোচনাও হয়েছে। আমরা মানব কল্যাণের জন্যেই প্রকৃতির এই পানির সমবন্টনে আন্তরিক।

কবীর চৌধুরী তন্ময় বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সরকার যৌথভাবে আশার আলো দেখিয়ে তাদের সরকারের মেয়াদকালের মধ্যেই আলোচিত তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন করতে পারবে যা উভয় দেশের মানুষের জন্য কল্যাণকর। আর আমরাও সেই বিশ্বাস নিয়ে অধীর আগ্রহ নিয়ে দেখতে চাই যে, আগামী আন্তর্জাতিক নদী দিবস-এর আগেই এই তিস্তা চুক্তি সম্পন্ন হবে।

তিঁনি আরও বলেন, প্রকৃতির আলো-বাতাস-পানির প্রবাহ-কে বাধা প্রদান করলে তা মানবকল্যাণের ক্ষেত্রে অমঙ্গল বয়ে আনে। আজ না হোক, প্রকৃতি তার নিজেস্ব প্রয়োজনে নিজের রাস্তা তৈরি করলে তখন মহাপ্রলয় ঘটবে। বাংলাদেশের নদীর নাব্যতা, নদীর খনন এবং নদীর পানি প্রবাহকে সচল রাখার জন্যে বাংলাদেশ সরকারকে সময় উপযোগি প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন।

সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ উদ্দিন সেলিমের সঞ্চালনায় সয়গঠনের সভাপতি শাহদৎ হোসেন হামজার সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মাঝে আরও বক্তব্য রাখেন গণতত্রি পার্টিও সাধারণ সম্পাদক ডা. শাহদাৎ হোসেন, সংগঠনের সহ-সভাপতি মেহের আলী খন্দকার, জাতীয় যুব ঐক্যের সভাপতি খাইরুল আলম, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টিও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, গণতত্রি পার্টির নগর কমিটির সভাপতি অ্যাড. এম এ গণি প্রমুখ।