ধর্ষণ লংমার্চে দফায় দফায় হামলা

7

চট্টগ্রাম অফিস: ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে ঢাকা-নোয়াখালী লংমার্চ ফেনীতে পৌঁছলে যুবলীগ-ছাত্রলীগ-পুলিশের চারদফা হামলার শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে৷লংমার্চকারিরা জানান, শনিবার সকালে ফেনী শহীদ মিনারে সমাবেশ চলাকালীন সময়ে গ্রাফিতি করতে গিয়ে পুলিশের মারধরের শিকার হয় এক ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী। পরে সমাবেশ শেষে লংমার্চের মিছিল বাসের দিকে এগোতে থাকলে দুই দফায় হামলা করে স্থানীয় ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা। পরে লংমার্চের কর্মীরা বাসে উঠার পর পুলিশের উপস্থিতিতে আবারও অতর্কিত হামলা হয়। চারদফা হামলায় আহত হয়েছে ছাত্র ইউনিয়নের ঢাকা মহানগর সংসদের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক সাদাত মাহমুদ, সহ-সভাপতি জাওয়াদুল ইসলাম, খিলগাঁও থানা ছাত্র ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমা, কবি নজরুল কলেজের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রীজম ফকির, সূত্রাপুর থানা ছাত্র ইউনিয়নের নেতা আসমা, লালবাগ থানার নেতা মাহমুদা দীপা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক হিমাদ্রী শিখর নন্দী, ঢাকা মহানগরের কর্মী ফাহমিদা ও আনিকা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক আসমানি আশা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মী নিজামুদ্দিন হৃদয়, মাঈনউদ্দিন ও ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক মাহির শাহরিয়ার রেজা।
ধর্ষণ ও বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লংমার্চে এই হামলার প্রতিবাদে সারাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদ। ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মেহেদী হাসান নোবেল ও সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় এক যুক্ত বিবৃতিতে বলেন, ফেনীতে লংমার্চে হামলা ধর্ষণের পক্ষে সরকার ও পুলিশের অবস্থান আরো পরিষ্কার করে দিয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ওসি মো. আলমগীর হোসেন এ বিষয় বলেন, হামলাকারীদের প্রতিহত করা চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার পর লংমার্চে অংশকারীদের নোয়াখালী পাঠানো হয়েছে।