দেশের প্রথম হেলিপোর্ট তৈরির কাজ চলছে

1

ডেস্ক রিপোর্টঃ বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ মহিবুল হক বলেছেন, দেশের প্রথম হেলিপোর্ট তৈরি করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কাজ করছে। হেলিপোর্ট এর জন্য উপযুক্ত স্থান নির্ধারণও করা হয়েছে। হেলিপোর্ট তৈরির আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ থেকে একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে যা দ্রুততম সময়ে একটি প্রতিবেদন পেশ করবে। গঠিত কমিটি প্রতিবেদন পেশ করার পর হেলিপোর্ট তৈরির নানা বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা প্রদান করা হবে। আজ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং ভ্রমণ ম্যাগাজিনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত “ট্যুরিজমঃ এ প্যানাল্টি শুট ফর দ্যা ইকোনোমি অব বাংলাদেশ” শীর্ষক জুম কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন তিনি।

সিনিয়র সচিব বলেন, বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নের জন্য একটি নীতিমালা তৈরীর কাজ চলছে। এই নীতিমালায় পর্যটনের সাথে জড়িত প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সুনির্দিষ্ট করা হবে যাতে তারা তাদের অংশের কাজটুকু সঠিকভাবে সম্পাদনের মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন। পর্যটন উন্নয়নের জন্য দরকার সরকারি-বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ। সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া পর্যটনের কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি সাধন সম্ভব নয়। এ সময় তিনি বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্য সমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দক্ষতার সাথে কাজ করায় টুরিস্ট পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, টুরিস্ট পুলিশ ইউনিট গঠন করা বাংলাদেশের পর্যটনের উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহুমাত্রিক নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির ফসল।

মহিবুল হক বলেন,পর্যটনের উন্নয়ন ও পর্যটকদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের দৈনন্দিন কাজে পর্যটকদের সহায়তা করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে। জেলার প্রশাসন যাতে পর্যটক সংগঠক হিসেবে কাজ করতে পারে এ লক্ষ্যেই এই প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ইতিমধ্যে প্রেরণ করা হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য উপজেলা পর্যন্ত এই কার্যক্রমকে অন্তর্ভূক্ত করা যাতে সকল পর্যটকের একটি আস্থার জায়গায় তৈরি হয়।

প্রত্যেক দায়িত্বশীল মানুষকে তার জায়গা থেকে পর্যটনের উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সিনিয়র সচিব বলেন, আমাদের দেশের ও পর্যটন গন্তব্য গুলোর ইতিবাচক প্রচারণা সহায়তা করার জন্য গণমাধ্যমকে অনুরোধ করছি। ইতিবাচক সংবাদ পরিবেশনা ও প্রচারণার মাধ্যমে গণমাধ্যম দেশের পর্যটন উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। জাতীয় আয় পর্যটনের ভূমিকা বাড়াতে ইতিবাচক এবং সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে।

ভ্রমণ ম্যাগাজিনের সম্পাদক আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় ও বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস-এর সভাপতিত্বে জুম কনফারেন্সে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাবেদ আহমেদ, গ্লোবাল টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নওয়াজীশ আলী খান, টোয়াবের সভাপতি মুহাম্মদ রাফিউজ্জামান, এভিয়েশন অপারেটর এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান ও বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মোঃ আরিফুর রহমান প্রমুখ।