দেশব্যাপী ছাত্র ইউনিয়নের শুভ্র পদযাত্রা

2

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ আবরার, জোবায়ের, আবু বকর, হাফিজুর, বিশ্বজিৎ, সাদ, তাপস, দিয়াজ, আফসানা এ রকম অসংখ্য প্রাণ আমাদের মাঝখান থেকে হারিয়ে গিয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষঙ্গন থেকে প্রায় দুইশত শিক্ষার্থীর জীবন ঝরে গিয়েছে। গত এক দশকেই ক্যাম্পাসে হয়েছে অন্তত দুই ডজন খুন। প্রায় প্রতিটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটেছে এক বা একাধিক খুনের ঘটনা। বিগত সময়ে ছাত্র দল-শিবির ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাস, নির্যাতনের যে ধারা শুরু করেছে, এই সময়ে এসে ছাত্রলীগও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলে রয়েছে ছাত্রলীগের টর্চার সেল। চর্টার সেলগুলোতে শিক্ষার্থীর নির্যাতন ও ভয় দেখিয়ে ভিন্নমত দমনের এক দখলদারি সংস্কৃতি চালু করেছে ছাত্রলীগ। ভিন্নমত দমনে খুনের পথ ধরতেও বাকি নেই ছাত্রলীগের।
সারাদেশে ছাত্রলীগের সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন আজ ১৬ অক্টোবর ২০১৯, বুধবার শুভ্র পদযাত্রার অনুষ্ঠিত করেছে। শুভ্র পদযাত্রাটি সন্ত্রাসবিরোধী রাজু ভাস্কর্য থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন স্থান প্রদক্ষিণ করে নীলক্ষেত, কাটাবন, শাহবাগ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন কেন্দ্রে শেষ হয়। সাদা রঙের শার্ট, টি-শার্ট, শাড়ি, পাঞ্জাবি পড়ে সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সবাই শুভ্র পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন।

শুভ্র পদযাত্রা শুরু পূর্বে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন ‘আবরার, জোবায়ের, আবু বকর, হাফিজুরসহ সকল হত্যাকান্ড একই সূত্রে গাঁথা। সেই সূত্রটি হলো বিচারহীনতার সংস্কৃতি। ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, এই সন্ত্রাসবাদী অপরাজনীতি আইন করে নিষিদ্ধ করা হোক। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ’ই হোক শেষ ছাত্র খুনের ঘটনা।’