দুর্নীতি ও অনিয়মের শীর্ষে পূর্ব চাঁদপাশা মাঃ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জাহাঙ্গির

16

আ: রহিম সরদার, বরিশাল: বাবুগঞ্জের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এম,এ, গফুর মোল্লার শত প্রচেষ্ঠার ফসলও আশি দশকের স্বাক্ষী স্বরুপ নির্দশন ঐতিহ্যবাহী পূর্ব চাঁদপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি আজ অর্থকেলেংকারী ও দূর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবলে পরে নিভে যাচ্ছে আলোর দিশারী। তাই বিদ্যালয়ের সু- শিক্ষা ফিরে পাওয়া ও দূর্নীতিবাজ শিক্ষকের কবল থেকে রক্ষা পেতে বিভিন্ন মহলে অভিযোগ করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি পরিকল্পনা মন্ত্রানলয়ের যুগ্ম সচিব মোঃ বজলুর রশিদ সহ একাধিক অভিভাবক ও স্থাণীয়রা। অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে যানা যায়, গিয়াস উদ্দিন বায়লা খালি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী কালীন সময়ে মেধাশুন্য শিক্ষার্থীদের টাকার বিনিময়ে পাশ করানো সহ নানান অসৎ কর্মকান্ডে লিপ্তের ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষের দৃস্টি গোচর হলে তাকে অপসারণের প্রক্রিয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষক গিয়াসউদ্দিন তা জানতে পেরে ঐ সময় কালিন কতিপয় প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে ২০০৯ ইং পূর্বচাঁদপাশা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের শুন্য কোঠায় তিনি যোগদান করেন। তার দূর্নীতি অনিয়ম অর্থকেলেংকারী আরো বেগমানের মধ্যদিয়ে বরিশালের জানুকিসিংহ রোড কাওনিয়ায় গড়ে তোলেন দুই ইউনিটের পাঁচতলা বিলাসবহুল শুভ ভিলা নামক বাড়ী। সুত্র মতে যানাগেছে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক গিয়াসউদ্দিন বিভিনś তহবিলের আর্থিক আয় ব্যাংকে জমা না রেখে আতśসাত করেন। যৌথ ব্যাংক হিসাবে সভাপতিকে তোয়াক্কা না করে নিজ ইচ্ছায় ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। বাছনিক পরীক্ষায় অকৃতকার্য ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ফরম পুরনের সুযোগ করে দেয়া। বিদ্যালয়ে সঠিক সময়ে না আসা, নির্ধারিত সময়ের আগে স্বাক্ষর করে চলে যান। বিভিন্ন আয়ের উৎস স্কুল তহবিলে জমা না দিয়ে নিজেই রক্ষক না হয়ে ভক্ষক হন। স্কুলের পুরাতন আসবাপত্র গাছ বিক্রি। বালু ভরাটের নামে অর্থ হাতিয়ে নেয়া। শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির জমা দেওয়ার আবেদন জমার পর চাকুরির প্রার্থীর মোবাইেেল ফোন করে চাকুরী দেয়ার নামে অর্থ বানিজ্য করা সহ নানান অপরাধ মুলক কর্মকান্ডে জরিয়ে পরেন। সভাপতি বজলুর রশিদ জানান প্রধান শিক্ষকের দুর্ণীতির মাত্রা চরমে পৌছেছে তাই তার বিরুদ্ধে আমি ইতিমধ্যে বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। অভিবাবকরা অভিযোগ করে বলেন ওই দুর্ণীতবাজ শিক্ষক বিভিম্ন খাতে স্কুল থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন জাহাঙ্গির বিষয়টি এড়িয়ে যান। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন জানান তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক গিয়াসউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে দ্রুত অপসারণ ও শাস্ত্রির দাবি জানিয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা।