দাদা ভাল থেকো, সুস্থ থেকো

রফিকুল ইসলাম সুজনঃ আমাদের দাদা আশ্রাব মেম্বর, পুরো নাম আশ্রাব আলী হাওলাদার।একসময় গুঠিয়া ইউনিয়ন পরিষদে ১নং ওয়ার্ডে ( বর্তমান) মেম্বর ছিলেন। কতসালে জনপ্রতিনিধি হিসেবে মেম্বর নির্বাচিত ছিলেন সালটি জানা নেই। তবে আমার জম্মের আগে, অথবা আমি তখন খুব ছোট। তাই আমার মনে থাকার কথাও না। কিন্তু ছোট বয়স থেকে শুনে আছি আশ্রাব মেম্বর। এবং আমাদের দাদা হন। তার কাছ থেকে নাতীর আদরেই বড় হইছি।
আমাদের বাড়িতে ( বান্না মিঞা বাড়ি) সদর রাস্তা দিয়ে ঢোকতে-বের হতে তার বাড়ি। ছোট থেকে তাকে আমরা দাদা বলে ডাকি। অবশ্য পরে আমার এক কাকু তার মেয়ে বিবাহ করায় দাদা থেকে নানা হলেও, দাদাই ডাকছি। তিনি বান্না গ্রামের দু:সময়ের আওয়ামী লীগের একমাত্র কান্ডারি। অমরা সবাই আওয়ামী লীগ বলে ডাকতাম। তিনি এ অঞ্চলের বয়স্ক মানুষের একজন। বয়সের ভারে নুয়ে পড়লেও, এখনও আসেপাশের দোকানে গিয়া বসে সময় কাটান এবং বঙ্গবন্ধুকে ফেরী করে বেড়ান। এ খবর আওয়ামী লীগের নেতারা হয়তো জানেনি না। কয়েক বছর আগে ছাত্র মৈত্রী’র সাবেক নেতা জহিরুল ইসলাম জহির ঢাকা থেকে একটি মুজিব কোর্ট কিনে নিয়ে যান। সবাই মিলে সেটা তার গায়ে পড়িয়ে দেন ।এ খবরটা দ্রুত গতিতে আশেপাশে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। যা অনেক দিন মানুষের মুখে মুখে ছিল। সমাজে এসব লোকের শূন্যতা কিভাবে পূরণ হবে। আমার ঘরের মানুষটিও তার খুব ভক্ত। একে অন্যের খোজ খবর নেন। এলাকায় গেলে দুজনে দেখা সাক্ষাতও করেন। এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি দেখা করেন দুজনেই।
গত ২৯ ডিসেম্বর’১৫ এলাকায় গেলে আমাদের বাড়ির সদর রাস্তায় প্রথম তারই দেখা মেলে। সাথে সাথে শিপন মিঞা ( ছোট ভাই) ফ্রেম বন্দী করেন। দাদা তুমি ভাল থেকো, সুস্থ থেকো।- লেখকঃ সম্পাদক, যুগবার্তা