দশ বছরেও মাদ্রাসায় ফিরতে পারেননি অধ্যক্ষ!

26

পিরোজপুর অফিসঃ জেলা সদরে অবস্থিত পিরোজপুর নেছারিয়া মাহমুদিয়া আলিম মাদরাসাটি দশ বছর যাবৎ চলছে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দিয়ে। ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ রুহুল আমীনকে তত কালিন এড-হক কমিটি বিনা অনুমতিতে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার কারণ দেখিয়ে উদ্দেশ্য প্রনোদিত ভাবে সাময়িক বরখাস্ত করেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। কমিটির নিকট থেকে বিধি মোতাবেক পাঁচ দিনের ˆনৈমিত্তিক ও ছয় দিনের মেডিকেল ছুটি নিয়েছিলেন বলে অধ্যক্ষ জানান। ছুটি নেওয়ার বিষয়টি পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের তদন্ত প্রতিবেদনেও সঠিক বলে উলেøখ করেছেন। অধ্যক্ষকে সাময়িক বরখাস্ত করে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মোঃ আবুল কালমকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হয়। মাওলানা রুহুল আমীন জানান, বিধি উপেক্ষা করে এড-হক কমিটি সিনিয়র শিক্ষদের এড়িয়ে (ডিঙ্গিয়ে) চাকুরিতে কনিষ্ঠ সাধারণ বিভাগের শিক্ষক মোঃ আবুল কালামকে অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়ার পর অদ্যবদি তিনি ওই পদে বহাল রয়েছেন। এ অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে পিরোজপুর সদর উপজেলা নিবার্হী অফিসার আসিব মাহমুদ বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে লিখিত ভাবে অবহিত করেছেন মুহাম্মদ রুহুল আমীন অধ্যক্ষ ও কমিটির সদস্য সচিব থাকা অবস্থায় ২০১০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এড-হক কমিটি দ্বারা যে সাময়িক বরখাস্ত হন উক্ত সভা এবং প্রাসঙ্গিক অন্য কোন সভা ও কর্ম সম্পর্কে তাকে জানান হয়নি। ২০১১ সালের ২৪ জানুয়ারি অধ্যক্ষকে পূর্ণাঙ্গ বরখাস্ত করার বিষয়টিতে আইনি ব্যত্যয় ঘটেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকালে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে স্বীকার করেন তিনি চার নম্বরের কনিষ্ট শিক্ষক এবং সিনিয়র ডিঙ্গিয়ে তার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হওয়া বিধি সম্মত হয়নি। জানতে চাইলে পিরোজপুর সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এ বি এম জাহিদ হোসেন বলেন তৎকালীন অধ্যক্ষ মুহাম্মদ রুহুল আমীনকে যে প্রক্রিয়ায় বরখাস্ত করা হয়েছে তা ˆবধ নয়। এ জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ আবুল কালাম বলেন এ বিষয়ে আমি পরে কথা বলবো।