তিউনিশিয়ার নোবেল পুরুস্কার এবং বাংলাদেশের নাগরিক কমিটি

97

রাজনৈতিক status আমি খুব একটা দিতে চাইনা কারন অনেকেই ভাল কথার মধ্যেও অনুবীক্ষন যন্ত্র দিয়ে আমার লেখার গন্ধ খোজে এবং তার সাথে খোচা মারা
কথা তো আছে।এটা বাংলাদেশের আমজনতার একটা মজ্জাগত অভ্যাস।
প্রথমেই আসি তিউনিশিয়ার সেই নাগরিক কমিটির(বাংলাদেশের ভাষায়) কাছে, যারা
ক্র্যসিস সময়ে ডুবন্ত িউনিশিয়াকে টেনে তুলে ধরেছেন এবং যার প্রভাব পড়েছে গোটা আরব বসন্তের উপর (স্থায়ী রাজতন্ত্র)।যার ঢেউ লেগেছে লিবিয়া,সিরিয়া,মিশর এবং ইয়ামেনের উপর।আজকে তারা ক্ষত বিক্ষত।
চারটি ভিন্ন ভিন্ন মূল্যবোধের সংগঠন জোটবদ্ধ হলেও তারা তিউনিশিয়ায় জনকল্যাণ, আইনের শাসন ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় একত্রে কাজ করে। নোবেল কমিটির মতে, ন্যাশনাল ডায়লগ কোয়ার্টেট সমাজের বিভিন্ন অংশের প্রতিনিধিত্ব করে; আইনের শাসন ও মানবাধিকারের মৌলিক ধারণা নিয়ে তারা মানুষের জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করে। এর ভিত্তিতেই তারা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় এগিয়ে আসে এবং তিউনিশিয়াকে শান্তি ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে নেয়ার নৈতিক দায়িত্বটি পালন করে। তাদের শান্তিপূর্ণ বিকল্প রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে তিউনিশিয়ায় একটি সাংবিধানিক সরকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়, যে সরকার ধর্ম, লিঙ্গ, রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বেশেষে সবার মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার কথা বলে। এ জোটের অবদানেই তিউনিশিয়াকে একটি বহুদলীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হয়। নোবেল কমিটি আশা করে- এ বছরের নোবেল পুরস্কার তিউনিশিয়ার গণতন্ত্রের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে এবং মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকাসহ সারা বিশ্বে যারাই শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টাকারীদের জন্য অনুপ্রেরণা হবে।
ন্যাশনাল ডায়লগের নোবেলপ্রাপ্তি সারা বিশ্বের জন্য কী বার্তা দেবে বলে মনে করেন?
আমি মনে করি, এ নোবেল পুরস্কার সারা বিশ্বের জন্য, প্রতিটি রাষ্ট্রের জন্য এই বার্তা যে, সব সমস্যা সংলাপের মাধ্যমেই সমাধান করা যায়। পৃথিবীর সব রাজনৈতিক দলকেও এই পুরস্কার বার্তা দেয় যে, সবকিছুই সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মিটমাট করা সম্ভব। অস্ত্রের ওপর নির্ভর করলে কিছুই হবে না ।
এখন আসি বাংলাদেশ প্রসঙ্গে……..
বাংলাদেশও ছিল রক্তাক্ত।বিশেষ করে চলতি বছরের প্রথম তিনমাসও এদেশের উপর দিয়ে অনেক ঝড় বয়ে যায়। এদেশে নাগরিক কমিটির অভাব নেই।কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করতে পারছেনা।দিনে নিরপেক্ষতার কথা বলে তারা রাতে পলিটিক্যাল লেবাস পড়ে।যার জন্য জনগন তাদের উপর ভরসা রাখতে পারছেনা।অথচ এই পুরুস্কার তাদেরও পাওয়ার কথা ছিল। আমাদের দেশের সুশীল সমাজরা টেলিভিশনে নাগরিকদের পক্ষে বিপ্লবের কথা বলে রাতের বেলায় কোন এক রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার জন্য university তে লাশ ফেলারও পরামর্ষ দেয় এবং তারা আবার ধরাও পড়ে।এই হল আমাদের নাগরিক সমাজ।রাজনীতিবীদদের মত তারাও মানসিক দৈন্যতায় ভোগে।আমি এটাও শুনেছি কোন কোন ণাগরিক সমাজ সরকারের কাছে কিছু সুবিধা পেতে দরবির করেছেন কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হয়ে সুশীল সমাজ হয়েছেন। এরা কিভাব জাতির সামনে এসে দাড়াবে এবং কোন মূখে? এই প্রস্ন করেই শেষ করছি। আবুল বাশার খান, বরিশাল