ডেস্ক রিপোর্ট: তাজরিন গার্মেন্টেসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আহত শ্রমিকরা ন্যায্য ক্ষতিপূরণ, পুনর্বাসন ও দির্ঘমেয়াদে চিকিৎসার দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি করে আসছে। আজ শনিবার সেই অবস্থান কর্মসূচির ৩০তম দিনে শ্রমিকদের সমর্থনে বিকাল ৪টায় প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর আহ্বানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত সমাবেশ থেকে বক্তাগণ বলেন দীর্ঘ ৮ বছরেও সরকার তাজরীনের নিহত শ্রমিকদের পরিবার ও আহত শ্রমিকরা যথাপোযুক্ত ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে না করে সরকার শ্রমিকদের সাথে প্রতারণা করছে। নানা সরকার এবং মালিকপক্ষ নানা টালবাহানা করে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করার অপচেষ্টা চলাচ্ছে। দেশের সরকার বরাবরই শ্রমিকদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে মালিকদের স্বার্থই রক্ষা করে চলেছেন। সুতারং শ্রমিক হত্যার দায় এই সরকারকেই নিতে হবে। সমাবেশ থেকে তাজরীনের মালিক খুনী দেলোয়ারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির এবং অবস্থানকারী শ্রমিকদের ৩দফা দাবি মেনে নেয়ার জোর আহ্বান জানান সরকারের প্রতি।

অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী’র সভাপতি ইকবাল কবীরে সভাপতিত্বে অবস্থানকারী শ্রমিকদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন জরিনা, নাসিমা,রেহানা ও আকাশ। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মিতু সরকার, বিপ্লবী ছাত্র যুব আন্দোলনের সভাপতি আহনাফ আতিফ অনিক, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফন্টের কেন্দ্রীয় নেতা রুহুল আমিন প্রমুখ। সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সমন্বয়ক শামীম ইমাম, গবেষক মাহাতাব উদ্দীন, গার্মেন্টস শ্রমিক মুক্তি আন্দোলনের সভাপতি শবনম হাফিজ, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নেতা রুহুল আমীন, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্টের সহ সভাপতি খালেকুজ্জামান লিপন, গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম সবুজ, বিপ্লবী গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি মাহমুদ হোসেন।

সংহতি জানিয়েছেন ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি ফয়জুল হাকিম লালা, গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের নেতা মানিক হোসেন, জাতীয় গণফ্রন্টের ঢাকা মহানগরের নেতা খালেদ মোশাররফ, গণসংস্কৃতি ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান লালটু।