ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে প্রগতি পরিষদ

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ আসন্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিনেট রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন-২০১৭ তে বিদ্যমান প্রচলিত বিভিন্ন ধারার বাইরে নতুন ধারার ‘প্রগতি পরিষদ’ অংশগ্রহণ করবে।

প্রগতি পরিষদের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাবেক সিনেট সদস্য অধ্যাপক কে এ এম সাদউদ্দীন, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এম এম আকাশ, মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. আজিজুর রহমান, সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নেহাল করিম, নটরডেম কলেজের জীব বিজ্ঞানের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক এ এন রাশেদা, অধ্যাপক এফ এম বদিউর রহমান, অধ্যাপক এম এ আজিজ মিয়া, অধ্যাপক গৌর গোবিন্দ গোস্বামী, অধ্যক্ষ মো. আমিনুল ইসলাম, আবু কাউসার মো. মাহবুবাল আলম, ড. নিতাই কান্তি দাস, অনুপম রায়, সমীর বিশ্বাস, তপন কর্মকার, বিমল মজুমদার, এড. মোহাম্মদ আবু তাহের, আব্দুর রহিম খান (রুবেল খান), মো. আমিনুর রহমান, শান্তনু দে।

প্রগতি পরিষদের অন্যতম প্রার্থী অধ্যাপক এম এম আকাশ বলেন, আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শততম বার্ষিকীর প্রাক্কালে দাঁড়িয়ে আছি। তৎকালীন পূর্ব বাংলা তথা বর্তমান বাংলাদেশের মানুষের মননের ও জাতীয় আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। দেশে-বিদেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিত হয়ে উঠেছিল প্রাচ্যের অক্সফোর্ড হিসেবে এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রদূত হিসাবে । একবিংশ শতাব্দীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অবস্থানে যাওয়া উচিত ছিল তা সংকীর্ন ব্যক্তি ও গোষ্টি স্বর্থের রাজনীতির কারনে বর্তমানে সুদূর পরাহত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার গৌরবময় সামাজিক ভাবমূর্তিও হারিয়ে ফেলেছে। গত ৪৬ বছর ধরে দেশের দুটি বৃহৎ দলের অনুসারীরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনায় ছিলেন। তাঁরা তাঁদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন। গত ২৭ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে রাখা হয়েছে। শিক্ষক রাজনীতি ভোটার রিক্রুটের ভয়াবহ রাজনীতিতে পরিনত হয়েছে। তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হৃত গৌরব পুনরুদ্ধারের সংকল্প নিয়ে আমরা বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার প্রধান সংস্থা ‘সিনেট’-এ বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ছাত্ররা ‘প্রগতি পরিষদ’ নামে এ নির্বাচনে অবতীর্ণ হয়েছি। আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েটদের ‘প্রগতি পরিষদ’এর পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহবান জানাচ্ছি।