ডিজিটাল আইন গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ডিজিটাল আইন ২০১৮ কে মত প্রকাশ ও প্রচারের স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার পরিপন্থী বলে উল্লেখ করে অবিলম্বে এ আইন বাতিল দাবি করেছেন। বৃহস্পতিবার মৈত্রী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সিপিবি- বাসদ- গণতান্ত্রিক বাম মোর্চা এ সংসবাদ সম্মেলনে আয়োজন করে।

প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, খালেকুজ্জামান, সাইফুল হক, শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, আব্দুল আজিজ, ফিরোজ আহমেদ, হামিদুল হক। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মোশরেফা মিশু।

সংবাদ সম্মেলনে মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, দেশের মানুষ কালো আইন আইসিটি অ্যাক্ট-৫৭ ধারা বাতিল চেয়েছিলেন কিন্তু তাদের উপর কুচকুচে কালো আইন চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। এই আইন সংবিধান, তথ্য অধিকার আইন সহ সকল গণতান্ত্রিক অধিকার ধ্বংস করবে।

অবিলম্বে এই আইন বাতিল করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই আইন জনগণের গণতান্ত্রিক আকাংখার সাথে বিশ্বাসঘাতকতার সামিল। অবিলম্বে এই আইন বাতিল করুন নতুবা জনগণ আপনাদেরকে বাতিল করে দেবে।

খালেকুজ্জামান বলেন, অসংখ্য কালো আইন দ্বারা গণতান্ত্রিক অধিকার ইতিমধ্যেই সংকুচিত করা হয়েছে, এখন ডিজিটাল আইনের নামে তাকে শৃংখলিত করা হচ্ছে। এই আইন মন্ত্রী এমপি, প্রশাসনিক কর্মকর্তাসহ ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে সুরক্ষা দেয়ার লক্ষ্যে প্রণীত হয়েছে।

সাইফুল হক বলেন, সমালোচনা করার সুযোগ কেড়ে নেয়া এবং ক্ষমতাসীনদের লুটপাটকে জবাবদিহীতার উর্ধে রাখার লক্ষ্যে এই আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।
শুভ্রাংশু চক্রবর্তী এই আইনকে ফ্যাসীবাদ প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন বলে উল্লেখ করেন।

নেতৃবৃন্দ এই অগণতান্ত্রিক কালো আইন বাতিলের লক্ষ্যে সাংবাদিক, আইনজীবী, শিক্ষক সহ সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহবান জানান। সংবাদ সম্মেলন থেকে ডিজিটাল আইন ২০১৮ বাতিল করার দাবিতে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদ সমাবেশের কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়।