জাপানি দ্বীপে ঘাঁটি গাড়বে যুক্তরাষ্ট্র

15

আগ্নেয়গিরির লাভা ও ঝামা পাথরে সৃষ্ট। আয়তন প্রায় তিন বর্গমাইল। পূর্ব চীন সাগরের কিনারায় অবস্থান দ্বীপটির। যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র জাপান নিয়ন্ত্রিত দ্বীপটি দেশটির মূল ভূ-খণ্ডের সর্বদক্ষিণের দ্বীপ কিউশু থেকে ২১ মাইল দূরে।

এশিয়ায় কখনও যুদ্ধ শুরু হলে দ্বীপটি মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। মাগেশিমা নামের দ্বীপটির গঠন অনেকটা বিমানবাহী রণতরীর মতো। তাই এটাকে ‘ভাসমান বিমানবাহী রণতরী’ হিসেবে অভিহিত করা হচ্ছে।

সিএনএন জানিয়েছে, দ্বীপটি বর্তমানে টোকিওর একটি নির্মাণ কোম্পানির মালিকানায় রয়েছে। এখানে ইতিমধ্যে দুটি বিমানের রানওয়ে রয়েছে। তবে সেগুলো এখন পরিত্যক্ত এবং কোনো মানুষও বাস করে না।

চলতি সপ্তাহে দ্বীপটি ওই কোম্পানির কাছ থেকে কিনে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাপানের শিনজো আবের সরকার। কর্মকর্তারা বলেছেন, রানওয়ে দুটো মার্কিন নৌবাহিনীর ব্যবহারের জন্য দিয়ে দেয়া হবে।

তবে ঠিক কবে নাগাদ দেয়া হতে পারে সে ব্যাপারে কোনো সময়সীমা এখনও জানানি তারা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে এখনও কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, উপযুক্ত অবকাঠামো নির্মাণ করা হলে দ্বীপটি জাপান প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্থায়ী ঘাঁটি হতে পারে। বর্তমানে পূর্ব চীন সাগরে জাপানিরা চীনাদের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। টোকিওর নিয়ন্ত্রণাধীন সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ নিজেদের বলে দাবি করে আসছে বেইজিং।

ফলে গত কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলে নিজেদের শক্তি-সামর্থ্য বাড়ানোর দিকে নজর দিয়েছে জাপানি বাহিনী। দ্বীপটির ক্রয়ের ব্যাপারে জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োশিদা সুগা বলেন, ‘মেগাশিমা দ্বীপটি জাপানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য একটি শক্তিশালী ঘাঁটি হিসেবে কাজে দিতে পারে।’-যুগান্তর