সোহেল আহসান: নাট্যকার, নির্মাতা ও অভিনেতা হিসেবে জনপ্রিয় মামুনুর রশীদ। এ সময়ে নির্মাণে না থাকলেও অন্য ক্ষেত্রগুলোতে নিয়মিত কাজ করছেন। তবে পরিচালনায় ফেরার পরিকল্পনাও আছে তার। বর্তমান ব্যস্ততা ও প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয় নিয়ে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন তিনি

  • করোনাকাল কেমন কাটছে?

** এখন পর্যন্ত ভালোই আছি। আপাতত কাজে ডুবে আছি। অভিনয়ের চেয়ে লেখালেখির ব্যস্ততা বেশি আমার। তাছাড়া মাঝে মধ্যে নাটকের শুটিংয়েও যাচ্ছি। তবে সব কাজ সতর্কতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে করছি। এছাড়া আর বিকল্প কিছু নেই।

  • আপনার রচনায় একটি দীর্ঘ ধারাবাহিক নাটক নির্মিত হচ্ছে। এটির কাজের অগ্রগতি কী?

** ‘জিন্দাবাহার’ নামের নাটকটি এখনও লেখার কাজ চলছে। তাছাড়া যেহেতু একটি নির্দিষ্ট সময়ের গল্প এটি, তাই এর পোশাক থেকে শুরু করে অনেক কিছুই তৈরি করতে হচ্ছে। এটি বিটিভির নিজস্ব প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে। তবে যতটুকু জেনেছি, তাতে এ নাটকের শুটিং শুরু করতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। পরিচালকও নাটকের প্রস্তুতিমূলক কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

  • মঞ্চ নাটকে কি এখন অভিনয় করছেন না?

** আপাতত মঞ্চে অভিনয় থেকে বিরত আছি। আমাদের নাট্যদল আরণ্যকের জন্য ‘কহে ফেসবুক’ নামের নতুন একটি নাটক লিখেছিলাম করোনাকালের আগে। তখন সেটির দুটি প্রদর্শনী হয়েছিল। ২৮ নভেম্বর আবারও মঞ্চে উঠবে নাটকটি। এটি নিয়ে এর আগে দর্শকের মধ্যে আগ্রহ দেখেছিলাম। আশা করছি নাটকটি আবারও দর্শকদের বিনোদিত করবে।

  • ছবিতেও নিয়মিতই অভিনয় করেন। নতুন কোনো ছবির কাজ করছেন?

** গত মাসে নুর ইমরান মিঠুর পরিচালনায় ‘পাতাল ঘর’ নামের একটি নতুন ছবিতে অভিনয় করেছি। এর শুটিং হয়েছে রাজবাড়ীতে। এছাড়া হৃদি হকের পরিচালনায় সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘১৯৭১ সেই সব দিন’ নামের ছবিতে অভিনয় করছি। আগামী মাসে আবারও এ ছবির শুটিং শুরু করব। গিয়াসউদ্দিন সেলিমের পরিচালানায় ‘পাপপুণ্য’ নামে একটি ছবিতেও অভিনয় করেছিলাম। এটি এখন মুক্তির অপেক্ষায় আছে।

  • নাটক নির্মাণের অভিজ্ঞতা আছে আপনার। ছবি নির্মাণে দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে?

** অনেক আগে ছবি পরিচালনা করেছি। তবে সেটি ছিল হংকংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে করা। ছবিটি বাংলাদেশে মুক্তি পায়নি। তাই এ সম্পর্কে কেউ জানে না। তবে একটি ছবি নির্মাণের চূড়ান্ত পরিকল্পনা আছে। প্রযোজকও প্রস্তুত আছেন। ছবির কাজ শুরু করার দিকে যখন অগ্রসর হচ্ছি, ঠিক তখনই করোনাভাইরাস চলে এল দেশে। তবে পরিকল্পনা থেকে সরে যাইনি। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে অবশ্যই এ কাজটি করব।যুগান্তর