গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত

20

যুগবার্তা ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির চতুর্থ বৈঠক কমিটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন-এর সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনস্থ কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য বজলুল হক হারুন, মোঃ জিল্লুল হাকিম, আনোয়ারুল আশরাফ খান, সৈয়দা জোহ্রা আলাউদ্দিন, বেগম ফরিদা খানম উক্ত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠকে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ১৯ নং সেক্টরস্থ সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্ট (সিবিডি) এলাকায় ‘আইকন টাওয়ার’ নির্মাণ কাজ প্রকল্পের অগ্রগতি সম্পর্কে আলোচনা হয়। উক্ত টাওয়ার নির্মাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রিলিমিনারি মাস্টার প্লান পর্যালোচনার জন্য একটি কারিগরি কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রক্রিয়াধীন আছে ও প্রস্তাবিত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে লে-আউট প্লান সহ ডিটেইল ড্রয়িং-ডিজাইন চূড়ান্ত করা হবে মর্মে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

বৈঠকে সরকারি কর্মচারীদের আবাসন ব্যবস্থা ৮% থেকে ৪০% উন্নীতকরণের বিষয়ে যে সকল প্রকল্প চলমান আছে সেগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়। ঢাকা শহরে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ফ্ল্যাট সংখ্যা ৪০% এ উন্নীত করতে অতিরিক্ত ২৮০১৩টি ফ্ল্যাট প্রয়োজন এবং পুরাতন ভবন ভেঙ্গে বহুতল ভবন নির্মাণের বিভিন্ন প্রকল্প পর্যায়ক্রমে গ্রহণের মাধ্যমে এ লক্ষ্য পূরণ করা হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে জানানো হয়।

কক্সবাজারে অবস্থিত হ্যাচারীর দূষিত পানি পাইপের মাধ্যমে সমুদ্রে ফেলা ও আবাসিক হোটেলের টয়লেটের ময়লাসহ সকল আবর্জনা সাগরে ফেলার কারণে সমুদ্রের পানি দূষিত হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে একযোগে কাজ করার জন্য যথাযথ নির্দেশনা প্রদান করে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি।

এছাড়াও পূর্বাচল প্রকল্পে যে উন্মুক্ত জায়গা রাখা হয়েছিল সেগুলোতে পিপিপি-র ভিত্তিতে বহুতল ভবন নির্মাণ, শান্তিনগর-ঝিলমিল ফ্লাইওভার কাজের বাস্তব অগ্রগতি ও পূর্বাচল প্রকল্পে মাটির নিচ দিয়ে বৈদ্যুতিক ক্যাবল স্থাপনের বিষয়ে বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চলমান প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়নে অধিকতর দায়িত্বশীলতার সাথে কাজ করার পরামর্শ প্রদান করে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।