কোনো অভিযোগই আমলে নেয়নি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

4

রাজবংশী রায়ঃ করোনা মহামারি না এলে হয়তো ভালো মানুষের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রতারকদের মুখোশ এত সহজে উন্মোচিত হতো না। জেকেজি হেলথ কেয়ারের পর এবার দেশব্যাপী আলোচনায় রিজেন্ট হাসপাতালের কর্ণধার মো. সাহেদের নাম। করোনা পরীক্ষার নামে ভুয়া সনদ প্রদান, নানা অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে কী-না করেছে এই দুই প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা। জেকেজি ও রিজেন্টের মতো আরও অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর বাইরে করোনা দুর্যোগকে কাজে লাগিয়ে কেনাকাটা, নিয়োগবাণিজ্য থেকে শুরু করে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করে এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে অনেকে। কয়েকজন আরও প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির দায়ে এখন পর্যন্ত কেবল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন পরিচালককে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতিবাজদের স্বপদে বহাল থাকার কারণ খুঁজতে গিয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে শুরু করে করোনাকালে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতরা সবাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের ঘনিষ্ঠজন। তার আশ্রয়-প্রশ্রয়েই এসব দুর্নীতির ঘটনা ঘটছে। দুর্নীতিবাজদের রক্ষা করতেই তিনি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। সীমাহীন দুর্নীতির কারণে স্বাস্থ্য খাতের চেইন অব কমান্ড একরকম ভেঙে পড়েছে। ডিজির সিন্ডিকেটের ইশারা ছাড়া কোনো ফাইলই নড়ে না। এই সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি তুলেছেন অনেকে।
রিজেন্টের প্রতারণার অভিযোগ আমলে নেয়নি অধিদপ্তর : করোনা সংক্রমণের পর রিজেন্টের কর্ণধার মো. সাহেদ তার দুটি প্রতিষ্ঠানকে চিকিৎসার জন্য ছেড়ে দেন। ওই সময় দেশের অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা করোনার চিকিৎসা দিতে চাইছিলেন না। অনেকে প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করে দেন। দুর্যোগময় সময়ে এগিয়ে আসার জন্য সর্বত্রই প্রশংসিত হন সাহেদ। গণমাধ্যমেও তার বক্তব্য প্রকাশ হতো। টেলিভিশন চ্যানেলের টকশোতে ডাক পেতেন নিয়মিত। মানবিক মানুষ হিসেবে খ্যাতি কুড়ান তিনি। কিন্তু র‌্যাবের অভিযানের পর মানবিকতার আড়ালে থাকা তার ‘দানবিক’ রূপ চলে আসে প্রকাশ্যে। তার কুকর্মের আদ্যোপান্ত ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। প্রত্যেকটি ঘটনাই যেন একেকটি উপাখ্যান।
করোনার নমুনা পরীক্ষা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের প্রতারণার বিষয়টি গত জুনের প্রথম সপ্তাহে নজরে আসে নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশিদ রিয়াজের। বিষয়টি তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে জানালেও সাড়া মেলেনি। বরং মহাপরিচালক তাকে ওই প্রতিষ্ঠান থেকে পাঠানো নমুনা পরীক্ষা অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেন। ওই নির্দেশের পর রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে পাঠানো নমুনা নিপসমে পরীক্ষা অব্যাহত থাকে। গত ৭ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে নিপসমের পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশিদ রিয়াজ রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে বিস্তারিত তুলে ধরেন। ওই চিঠির কপি সমকালের কাছে এসেছে।

চিঠিতে নিপসম পরিচালক বলেন, ‘নিপসম ল্যাবে কভিড-১৯ পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশক্রমে মুন্সীগঞ্জ জেলা, ঢাকার বেসরকারি হাসপাতাল এএমজে, ক্রিসেন্ট উত্তরা ও মিরপুর হাসপাতাল এবং ক্রিসেন্ট হাসপাতাল থেকে স্যাম্পল গ্রহণ করে আসছিল। কিন্তু ১৯ মে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপর এক আদেশে ওইসব প্রতিষ্ঠান থেকে আগত স্যাম্পল গ্রহণ বন্ধ করা হয়। কিন্তু পর দিন অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন)-এর টেলিফোনে মৌখিক নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতাল থেকে স্যাম্পল গ্রহণ ও তা পরীক্ষা অব্যাহত রাখা হয়। নিপসম থেকে একটি ই-মেইলে বিষয়টি অতিরিক্ত মহাপরিচালককে (প্রশাসন) জানানো হয়।’
তিনি বলেন, ‘রিজেন্ট হাসপাতাল প্রত্যেক স্যাম্পল প্রদানকারীর কাছ থেকে তিন হাজার ৫০০ টাকা করে আদায় করছে। অথচ নিপসম বা সরকার বিনামূল্যে আরটিপিসিআর পরীক্ষা করে দিচ্ছে। নিপসম থেকে ফলাফল জানানোর যে এসএমএস প্রত্যেক স্যাম্পল প্রদানকারীকে পাঠানো হচ্ছে, তাতেও বিনামূল্যে এ সেবা প্রদানের বার্তা থাকছে। বিষয়টি সাংঘর্ষিক। সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে সরকার যে বিনামূল্যে এ সেবা প্রদান করছে, তার সুবিধা ও সুফল সেবাগ্রহীতারা ভোগ করতে পারছেন না।’
পরিচালক বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে স্যাম্পল সরবরাহ করবে, সে বিষয়ে একটি নির্দেশিকা রিজেন্ট হাসপাতালকে প্রেরণ করা হয়েছে। কিন্তু বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া বা সতর্ক করার পরও রিজেন্ট হাসপাতাল তা অনুসরণ করছে না। ফলে পরীক্ষা সময় অনুযায়ী সম্পন্ন করতে ও শৃঙ্খলা রক্ষা করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। সামগ্রিক বিবেচনায় রিজেন্ট হাসপাতালের কোনো স্যাম্পল নিপসমের পক্ষে পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত নয় বলে প্রতীয়মান হয়। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।’
এর পরিপ্রক্ষিতে ৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা নিপসমের পরিচালককে পাল্টা একটি চিঠি দিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের পাঠানো নমুনা পরীক্ষা করার নির্দেশ দেন। ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত রিজেন্ট উত্তরা ও মিরপুর হাসপাতালের সর্বমোট অনধিক ৫০টি নমুনা প্রতিদিন গ্রহণপূর্বক পরীক্ষার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো। এতে মহাপরিচালকের সম্মতি আছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. বায়জীদ খুরশিদ রিয়াজ কোনো কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তার সব বক্তব্য লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। এর বাইরে গণমাধ্যম কিংবা অন্য কোথাও তিনি কিছু বলবেন না।
লাইসেন্স নবায়ন না করে কীভাবে রিজেন্ট হাসপাতাল ‘কভিড ডেডিকেটেড’ হাসপাতাল হিসেবে চুক্তিবদ্ধ হলো, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে তা জানতে চেয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। গত মঙ্গলবার স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব উম্মে হাবিবা স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ব্যাখ্যা চেয়ে বলা হয়, র‌্যাবের অভিযান ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে হাসপাতালটির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে। এ অবস্থায় হাসপাতালটির সঙ্গে চুক্তি বাতিলের নির্দেশনা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত করে দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। এর পরই হাসপাতালটির সঙ্গে চুক্তি ও লাইসেন্স বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
নেপথ্যে ছিল ডিজির প্রশ্রয় :স্বাস্থ্য খাতের সংশ্নিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডা. আজাদের আগ্রহেই রিজেন্ট হাসপাতাল করোনা ডেডিকেটেড হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এর আগে নমুনা পরীক্ষার নামে জেকেজি হেলথ কেয়ার নামে অপর একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতারণার ঘটনা সামনে আসে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ওই প্রতারক চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করে। জানা গেছে, ডা. আজাদের আগ্রহেই জেকেজি হেলথ কেয়ারকে করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজে যুক্ত করা হয়। জেকেজিকে নমুনা সংগ্রহের অনুমোদন দেওয়ার আগে ডিজি ওই প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। ওই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সরেজমিন পরিদর্শনের বিষয়টির সমালোচনা করে অনেকে বলেছেন, করোনা সংক্রমণের পর আজ পর্যন্ত কোনো হাসপাতাল পরিদর্শনে যাননি ডিজি। এমনকি অর্ধশতাধিক চিকিৎসকের মৃত্যুর ঘটনায় একটি শোকবার্তাও দেননি। অথচ তিনি জেকেজির কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।
জেকেজির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আরিফুল চৌধুরী ও ডা. সাবরিনা চৌধুরী দম্পতি। প্রতিষ্ঠানটিতে অভিযান চালিয়ে আরিফসহ তার কয়েকজন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ডা. সাবরিনার যোগসাজশ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ডা. সাবরিনা চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক। হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক-কর্মকর্তা জানান, সার্জারি বিভাগের এক চিকিৎসকের সঙ্গে ডা. সাবরিনার অনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে তার স্বামী আরিফ চৌধুরী ক্ষুব্ধ ছিলেন। ওই চিকিৎসক বিএমএর নেতা। ক্ষুব্ধ আরিফ একপর্যায়ে হাসপাতালে গিয়ে ডা. সাবরিনাকে মারধর করেন। এ ঘটনায় ডা. সাবরিনা ও ওই চিকিৎসক শেরেবাংলা নগর থানায় পৃথক দুটি জিডিও করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. সাবরিনা চৌধুরী সমকালকে বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। জেকেজির নমুনা সংগ্রহের কার্যক্রমের সঙ্গে তিনি কখনোই যুক্ত ছিলেন না। জেকেজিতে তিনি নমুনা সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ দিতেন এবং সেটি তার কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন শেষ করার পর। কিন্তু তাদের কিছু খারাপ কার্যক্রম নজরে আসায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে তিনি ওই প্রতিষ্ঠান থেকে সরে দাঁড়ান। এমনকি তিনি তার বাবার বাসায় চলে যান। এর পরই আরিফ হাসপাতালে এসে তাকে হেনস্তা করেন।
এক চিকিৎসকের সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের কথা প্রমাণ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে ডা. সাবরিনা বলেন, এসব কথা ছড়িয়ে একটি মহল ফায়দা তুলতে চাইছে। সুতরাং চ্যালেঞ্জ করে বলছি, এর স্বপক্ষে কোনো প্রমাণ থাকলে তারা যেন উত্থাপন করেন।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে রিজেন্ট হাসপাতালের নমুনা পরীক্ষার জন্য নিপসমকে দেওয়া চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা সমকালকে বলেন, যে সময় রিজেন্ট হাসপাতালকে যুক্ত করা হয়েছিল তখন অন্যান্য বেসরকারি হাসপাতাল করোনা চিকিৎসায় আসতে চাইছিল না। এ কারণে যাচাই-বাছাই করা সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, শুরুতে ওই হাসপাতাল ও তার মালিককে নিয়ে গণমাধ্যমেও প্রশংসা করা হয়েছিল। আসলে কেউই তার প্রতারণা বুঝতে পারেনি। সরকারি চাকরিতে একটি বিষয় আছে যে, যার স্বাক্ষর থাকবে দায় তাকেই নিতে হয়। ওই প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করার বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত ছিল। আমাকে চিঠি ইস্যু করার দায়িত্ব দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী আমি চিঠি ইস্যু করি। এখন দায় এলে কিছু করার নেই বলে জানান তিনি।
‘অভিযুক্তদের কোনো ছাড় নয়’ :বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম সমকালকে বলেন, মহামারির সুযোগ কাজে লাগিয়ে এ ধরনের প্রতারণার সঙ্গে যুক্তদের কোনো ছাড় দেওয়া উচিত হবে না। এই প্রতারকদের পাশাপাশি তাদের আশ্রয়দাতাদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন। প্রভাবশালী কোনো ব্যক্তির আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেলে এ ঘটনা ঘটানো সম্ভব হতো না। একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক প্রতারণার বিষয়টি নজরে আনার পরও সংশ্নিষ্টরা ব্যবস্থা না নিয়ে বরং তাদের পক্ষে সুপারিশ করেছেন। এর সঙ্গে নিশ্চয়ই ঊর্ধ্বতন মহলের যোগসাজশ রয়েছে। সুতরাং এটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
কর্তৃপক্ষের বক্তব্য :স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সমকালকে বলেন, কোনো হাসপাতালের লাইসেন্স কিংবা মান সংক্রান্ত বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর দেখভাল করে থাকে। সুতরাং রিজেন্ট হাসপাতালটির লাইসেন্স নবায়ন করা ছিল না- এটি তাদের জানার কথা। মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সমঝোতা চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পরই জড়িতদের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।সমকাল