কাঠমুন্ডুতে মালদ্বীপকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ

31

যুগবার্তা ডেস্কঃ এসএ গেমসে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ২৩ ক্রিকেট দল বড় জয় দিয়ে শুরু করলো। টি-২০ ক্রিকেটে আজ নিজেদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ১০৯ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে মালদ্বীপকে। বল হাতে তানভীর ১৯ রানে ৫ উইকেট নেন।
নেপালের কীর্তিপুরে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় ম্যাচে মালদ্বীপের বিপক্ষে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সৌম্য সরকার। মোহাম্মদ নাইমকে নিয়ে ইনিংসের উদ্বোধন করেন অধিনায়ক সৌম্য। শুরুটা ভালোই ছিলো নাইম ও সৌম্যর। ৭ ওভারে ৫৭ রান যোগ করেন তারা। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে বিচ্ছিন্ন হয় এই জুটি। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৮ বলে ৩৮ রান করে আউট হন নাইম।
নাইম মারমুখী থাকলেও, রান তোলায় সর্তকই ছিলেন সৌম্য। ঐসময় তার রান ছিলো ১৭ বলে ১৯ রান। তবে দ্বিতীয় উইকেটে ইমার্জিং কাপে অধিনায়কত্ব করা নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে মারমুখী ব্যাট করেন সৌম্য। তাই ১২ওভারেই বাংলাদেশের দলীয় স্কোর শতরানের কোটা স্পর্শ করে।
আর ব্যক্তিগতভাবে হাফ-সেঞ্চুরির পথেই ছিলেন সৌম্য। কিন্তু সেটি আর সম্ভব করতে পারেননি সৌম্য। ৩৩ বলে ৪৬ রানে আউট হন তিনি। তার ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা ছিলো। শান্তর সাথে ৫৩ রানের জুটি গড়েন সৌম্য।
দলীয় ১১২ রানে সৌম্য ফিরলে আফিফ হোসেনকে নিয়ে বাংলাদেশের রানের চাকা সচল রাখেন শান্ত। দ্রুত রান তোলার চেষ্টা করে সফল হন তিনি। মাঝে আফিফ ৯ বলে ১৬ রানে থামলেও ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করেছেন শান্ত। তার ৩৮ বলে ৪৯ রানের সুবাদে শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৭৪ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। শান্তর ইনিংসে ১টি চার ও ৩টি ছক্কা ছিলো। এছাড়া ইয়াসির আলি ১০ বলে অপরাজিত ১২ রান করেন।
জয়ের জন্য ১৭৫ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ১৫ রান পায় মালদ্বীপ। প্রতিপক্ষের উদ্বোধনী জুটি ভাঙ্গেন তানভীর। তৃতীয় বোলার হিসেবে আক্রমনে এসে প্রথমে উইকেট শিকারের পর-পরই আরও চার ব্যাটসম্যানকে আউট করেন তানভীর। এতে ৪৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ হারের পথে চলে যায় মালদ্বীপ।
শেষ পর্যন্ত ১৯ দশমিক ২ ওভারে ৬৫ রানে অলআউট হয় মালদ্বীপ। দুই ওপেনার ছাড়া দলের অন্য কোন ব্যাটসম্যানই দু’অংকের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। আলি ইভান ১২ ও আহমেদ হাসান ১০ রান করেন। তানভীরের পর বাংলাদেশের পক্ষে মিনহাজুল আবেদিন আফ্রিদি-আফিফ হোসেন ২টি করে উইকেট নেন। সৌম্যও নেন ১ উইকেট। ম্যাচ সেরা হয়েছেন বাংলাদেশের তানভীর।