করোনাভাইরাসের আরো প্রবল বিস্তার রোধ করতে সক্ষম হব–প্রধানমন্ত্রী

5

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আসন্ন শীতে বাংলাদেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমনের আরও বিস্তার রোধ করার বিষয়ে দৃঢ় সংকল্প ব্যক্ত করে বলেন, আমরা আশাবাদী যে, আগামী দিনগুলোতেও আমরা এই রোগের আরো প্রবল বিস্তার রোধ করতে সক্ষম হব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রাতে ‘ক্রিটিকাল কেয়ার-২০২০ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক ই-সম্মেলন’ ভার্চুয়ালি উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন।
বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যানেসথেসিওলজিষ্টস (বিএসএ) এই সম্মেলনের আয়োজন করে। আর এমন একটা সময়ে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন সারা বিশ্বই করোনাভাইরাস মহামারীর বিরুদ্ধে লড়ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের প্রচেষ্টা এবং চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের কঠোর পরিশ্রমই বাংলাদেশে মারাত্মক ভাইরাসের সংক্রমন রোধ করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ জরুরী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার চিকিৎসক এবং ৫ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছে।
তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা ভাগ্যবান, কেননা এই রোগের সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হার উভয়ই বাংলাদেশে খুব কম।
শেখ হাসিনা বলেন, চিকিৎসা একটি মহৎ পেশা এবং একজন অসুস্থ মানুষের চিকিৎসা করে তাঁরা মানবতার সেবা করছেন। কাজেই, আপনি যখন ডাক্তার হবেন, আপনার প্রথম এবং প্রধান কাজ হচ্ছে মানবতার সেবা করা। আমি আশা করবো, যে কোনও পরিস্থিতিতেই আপনি আপনার দায়িত্ব ভুলে যাবেন না।

শেখ হাসিনা বলেন, দেশের অ্যানেসথেসিওলজিষ্টরা এই মহামারী চলাকালিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে এবং এর বাইরেও কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের ব্যবস্থাপনায় চমৎকার কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটি অব অ্যানেসথেসিওলজিষ্ট সরকারকে কোভিড-১৯ রোগীদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র ব্যবস্থানার ক্ষেত্রে গাইডলাইন প্রস্তুতিতে সহায়তা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএসএ সারাদেশে নতুন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছে এবং আইসিইউ চিকিৎসক ও কর্মীদের কোভিড-১৯ রোগীদের ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ দিয়েছে। তিনি বলেন, কিছু অ্যানেসথেসিওলজিষ্টসহ বেশ কিছু চিকিৎসক কোভিড-১৯ চলাকালিন কর্তব্য পালন করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তাঁদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি।