সাইদ রিপন : বাংলাদেশ সরকার এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় এডিবি সহায়তাপুষ্ট প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন আরও ত্বরান্বিত করার জন্য বিশেষ পদক্ষেপের বিষয়ে একমত হয়েছে বাংলাদেশ ও এডিবি। বুধবার এডিবির ঢাকা অফিস থেকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ভার্চুয়াল ত্রিপক্ষীয় পোর্টফোলিও পর্যালোচনা সভায় (টিপিআরএম) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ যুক্ত ছিলেন। সভায় সরকারি কর্মকর্তা, প্রকল্প পরিচালক এবং এডিবি কর্মীরা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এসময় এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ বলেন, করোন মহামারী পরবর্তী সময়ে দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পুনরুদ্ধারকে ত্বরান্বিত করার জন্য প্রকল্পের বাস্তবায়ন গতি বাড়াতে হবে। অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের প্রাথমিক লক্ষণে দেখা গেছে, প্রকল্প নির্বাহী সংস্থাগুলোর বিশেষ ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থানে সহায়তা করতে পারে। প্রকল্প বাস্তবায়নের আরও উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপগুলোর ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দ্রুত পরামর্শ গ্রহণ, ভাল পরামর্শদাতা ও ঠিকাদারদের জড়িত করা, কার্যকর চুক্তি পরিচালন, ভূমি অধিগ্রহণ ও পুনর্বাসন সঠিকভাবে পরিচালনা, সাউন্ড ফিনান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট, বিচক্ষণ প্রকল্পের নকশা এবং দ্রুত ডিপিপি অনুমোদন হলে প্রকল্পের আরও ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ ঝুঁকি এড়াতে স্বাস্থ্য ও সুরক্ষা প্রোটোকলের সর্বোচ্চ মান বজায় রেখে কাজ করতে হবে। প্রকল্পের কার্যকরী পদক্ষেপের বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রকল্পের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য বিশেষ পদক্ষেপের চুক্তিগুলোর অনুমোদন ত্বরান্বিতকরণ এবং একত্রীকরণ, স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশিকা বাস্তবায়ন এবং প্রকল্পের কর্মী এবং সুবিধাভোগীদের ভার্চুয়াল প্রশিক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে। এডিবির বর্তমান পোর্টফোলিওটিতে সার্বভৌম পোর্টফোলিওর অধীনে প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলারে ৫২টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এডিবি বাংলাদেশে ছয়টি খাতে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সেক্টরগুলো হচ্ছে, জ্বালানি, পরিবহন, নিরাপদ পানি ও নগরায়নে পরিষেবা, শিক্ষা, অর্থ ও কৃষি, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং গ্রামীণ উন্নয়ন।আমাদের সময়.কম