একটি ই–লাইব্রেরির কথা

জ্ঞানচর্চার জন্য বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। নানান বিষয়ের বই পড়ার জন্য লাইব্রেরির চেয়ে ভালো জায়গা আর কী হতে পারে? আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে নিজেকে সমৃদ্ধ করার পাশাপাশি বাইরের দুনিয়ার খোঁজখবরও রাখতে হয়। মুহূর্তেই গোটা বিশ্বের তথ্যভান্ডারের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করতে এখন প্রচলিত হচ্ছে ‘ই-লাইব্রেরি’। তেমনই একটি ই-লাইব্রেরি চালু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে।
ই-লাইব্রেরি কী এবং কেন?
ই-লাইব্রেরি হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত এমন এক আয়োজন, যেখানে মুদ্রিত বইয়ের পাশাপাশি ইলেকট্রনিক বই বা ই-বুক পড়ার সুযোগ থাকবে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে দুনিয়ার যেকোনো জায়গার নির্দিষ্ট লাইব্রেরি বা প্রকাশকের ডেটাবেইসে যুক্ত হয়ে ডিজিটাল প্রকাশনা পাওয়া যাবে। অনলাইনে পড়া যাবে বহু মূল্যবান বই, আবার কম্পিউটারে নামিয়ে নিয়েও (ডাউনলোড) পড়া যাবে। ফলে বাঁচে অর্থ, সময় ও স্থান।
বাংলাদেশে ই-লাইব্রেরি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ১০ আগস্ট ই-লাইব্রেরির উদ্বোধন করা হয়েছে। তবে লাইব্রেরিটি গড়ে তোলার কাজ শুরু হয় ২০১৪ সালের ১০ জুলাই। স্বপ্নটা কিন্তু আরও আগের। দীর্ঘ দুই দশক ধরে জিইয়ে রাখা স্বপ্ন যেন বাস্তবে রূপ নিল। ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন শীবলী রুবায়াত-উল-ইসলাম বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে তৈরি পোশাকশিল্পসহ কিছু দিকে আমরা এগিয়ে থাকলেও পিছিয়ে আছি বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই। বিশ্ববিদ্যালয় র্যাঙ্কিংয়েও আমরা পিছিয়ে। কিন্তু পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা পেলে জ্ঞান-বিজ্ঞান, বাণিজ্য কিংবা গবেষণায় আমরাও অন্যদের চেয়ে এগিয়ে যেতে পারব। ই-লাইব্রেরি আমাদের এগিয়ে চলার সেই পথকে উন্মুক্ত করবে।’