উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য হলেন জাবি অধ্যাপক জেবউননেছা

জাবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. জেবউননেছা।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর এর সদয় অনুমোদনক্রমে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ এর ২২ (১) (ছ) ও ২২ (২) ধারা অনুসারে অধ্যাপক ড. জেবউননেছাকে আগামী ২ বছরের জন্য একাডেমিক কাউন্সিল সদস্য হিসেবে মনোনয়ন প্রদান করা হয়।

মঙ্গলবার (২৮ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোঃ মাহমুদুল আলম স্বাক্ষরিত সংশ্লিষ্ট পত্রে এ তথ্য জানানো হয়।

এ বিষয়ে অধ্যাপক জেবউননেছা বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচনের জন্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। মহামান্য চ্যান্সেলর কর্তৃক যে দায়িত্ব আমি পেয়েছি,তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা এবং অন্যান্য বিষয়ে আমার সর্বোচ্চ মেধা এবং প্রজ্ঞার স্বাক্ষর রাখার চেষ্টা করবো। এ অর্জন আমার ব্যক্তিগত নয়,এটি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের অর্জন।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ড. জেবউননেছা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের প্রথম নারী সভাপতি হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। বর্তমানে তিনি মহামান্য হাইকোর্ট কর্তৃক নির্দেশিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগ কমিটি ( Compliant Committee) এর আহবায়ক, জাবি ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের অতিরিক্ত পরিচালক, মাওলানা ভাসানি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের একজন বহিস্থ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনষ্টিটিউটের নির্বাহি কাউন্সিলের সদস্য। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের রিসার্চ এথিকাল কমিটির সদস্য।তিনি অষ্ট্রেলিয়ান একাডেমি ফর বিজনেস লিডারশীপের একজন ফেলো সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ‘উওরন’ পত্রিকার একজন প্রদায়ক।

দেশি বিদেশি প্রায় ২৫ এর অধিক গবেষণা এবং সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত রয়েছেন অধ্যাপক জেবউননেছা। তিনি বাংলাদেশ লেখিকা সংঘের একজন সহ সভাপতি ও এশিয়াটিক সোসাইটি অফ বাংলাদেশ কর্তৃক প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ এবং বাংলা পিডিয়ার একজন নিবন্ধক। তিনি রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বধ্যভূমির আবিষ্কারক এবং গবেষক। বিভিন্ন বিষয়ে তার ১৩ টি প্রকাশিত গ্রন্থ রয়েছে।

ড. জেবউননেছা চাকরি ও শিক্ষা ক্যাটাগরিতে সরকারের মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঢাকা বিভাগীয় জয়িতা-২০১৯ সম্মাননা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল থেকে কৃতি শিক্ষার্থী হিসেবে বেগম রোকেয়া স্বর্ণপদক লাভ করেছিলেন।