উজিরপুরে বড়াকোঠায় ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ডাঃ আবদুল হাকিম

5

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা, আওয়ামীলীগের সদস্য,পল্লি চিকিৎসক ও বিশিষ্ট সমাজসেবক, ডাঃ আ ন ম আবদুল হাকিমকে উজিরপুরের বড়াকোঠায় চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় ইউনিয়নবাসী। তিনি সৎ,শিক্ষিত, মার্জিত এবং গরীব দুখী মানুষের আস্থাভাজন হওয়ায় তাকে আগামী নির্বাচনে ইউপি চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে আলোচনার খোরাক সৃষ্টি হয়েছে। জনগনের দাবী তিনি নির্বাচিত হলে ওই ইউনিয়নে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,রাস্তা ঘাটসহ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হবে এবং মাদক মুক্ত সমাজ হবে। এমনকী গরীব অসহায়রা আশ্রয়স্থলের ঠিকানা খুজে পাবে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অগ্রনী ভূমিকা পালন করায় তাকে দেশের সকল মানুষ উচ্চতর স্থানে মর্যাদা জ্ঞাপন করেন এবং তিনি বরিশাল জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিল। এছাড়াও তার নীজ এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা মিলন কেন্দ্র অবস্থিত হয়। সে প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে তিনি সততার সহিত বেশ সুনামের সহিত সভাপতির দায়ীত্ব পালন করে আসছে। স্থানীয়রা জানান ইতিপূর্বে যাহারা নের্তৃত্বে রয়েছে তারা কেউ মুক্তিযোদ্ধা মিলন কেন্দ্রের কোন উন্নয়মূলক কাজ করেনি। এলাকার মানুষ উন্নয়নের ছোয়া থেকে অবহেলিত রয়েছে। ভবিষ্যতে উন্নয়নের জন্য বিকল্প হিসেবে তাকে ছাড়া আর কাউকে ভাবতে পারছেনা এলাকাবাসী। গরীব দুখীদের ফ্রি চিকৎসা দিয়ে তিনি ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিম চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হলে তিনি অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ও এলাকার হাজারো জনগন। একবাক্যে আগামী নির্বাচনে তাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার ঘোষনা দেয় তারা। সম্ভাব্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিম জানান দেশনেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বড়াকোঠা ইউপি চেয়ারম্যান পদে মনোয়ন দিলে বিজয় নিশ্চিৎ। এলাকাবাসী আরো দাবী করে বলেন তিনি ১৯৭১ সালে যুদ্ধে আমাদের মা-বোনের ইজ্জত রক্ষা করেছেন। তিনি নির্বাচিত হলে উন্নয়নের পাশা-পাশি আমাদের সকলের জান মালের হেফাজত হবে। তাই বড়াকোঠা ইউপি নির্বাচনে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হাকিমকে দলীয় নৌকা প্রতিক দেয়ার দাবী জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও দক্ষিন বঙ্গের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপির সু-দৃষ্টি কামনা করেন মুক্তিযোদ্ধাসহ ইউনিয়নবাসী।