উজিরপুরে জুয়াড়ী রফিক গণধোলাইয়ের শিকার

5

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে চিহ্নিত জুয়াড়ী রফিক বেপারী গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। এলাকার সচেতন যুবকরা জুয়ার আসরে বাঁধা দিলে তাদের উপর হামলা চালায় জুয়াড়ীরা। পরে স্থানীয় জনতার রোষানলে পড়ে জুয়াড়ী রফিক গণ ধোলাইয়ের শিকার হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বামরাইল ইউনিয়নের হস্তিশুন্ড গ্রামের মৃত ওয়ারেছ বেপারীর ছেলে জুয়াড়ী রফিক হোসেন বেপারী (৪০) অজ্ঞাত ১০/১২ জন লোকজন নিয়ে ২ আগষ্ট রবিবার রাত ৮টার দিকে হস্তিশুন্ড গ্রামের খোকন বয়াতির বাড়ির উত্তর পাশের্^ একটি পরিত্যাক্ত বাগানে করোনার মধ্যেও জুয়ার আসর বসায়। তাদের উৎপাতে অতিষ্ট পাশর্^বর্তী কয়েকটি পরিবারের নারী ও পুরুষরা স্থানীয় যুবকদের কাছে বিষয়টি জানায়। এরপর দক্ষিণ মোড়াকাঠী গ্রামের বাচ্চু মৃধার ছেলে অনার্স পড়ুয়া ছাত্র আবির হোসেন মৃধা (১৮), রশিদ সরদারের ছেলে মামুন সরদার (১৯), শাহ আলম সরদারের ছেলে এনামুল সরদার (১৭), জামাল বেপারীর ছেলে শাকির বেপারী (২০), মিজান বয়াতির ছেলে মিরাজ বয়াতি (২১) মিলে এলাকার শৃঙ্খলা ও যুব সমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে ঘটনাস্থলে গিয়ে জুয়ার প্রতিবাদ করে এবং জুয়ার আসরের ছবি মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে রফিক বেপারীসহ জুয়াড়ীরা প্রতিবাদী ছাত্র যুবকদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় তাদের ডাক চিৎকারে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে জুয়াড়ী রফিককে গণধোলাই দেয়। বাকী জুয়াড়ীরা পালিয়ে যায়। এদিকে ঘটনা ধামাচাপা দিতে রফিক বেপারী মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বিভিন্ন অপপ্রচার চালাচ্ছে। এছাড়াও রফিকের বিরুদ্ধে রয়েছে নারী নির্যাতনসহ শত অভিযোগ। স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করে রফিক জমির দালালীর নাম করে বিভিনś লোকের জমি দখলের মিশনে ব্যস্ত। সে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এলাকায় জুয়ার আসর, জমি দখল চাঁদাবাদীসহ বিভিনś অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েছে। সে যেন এলাকায় মূর্তিমান আতংক। এ ছাড়াও একাধিক নারী পুরুষ, শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, রফিক বাহিনীর লোকজন প্রতিদিন অনধিকার পূর্বক বাড়ির উপর দিয়ে রাতে যাতায়াত করে এবং বসতবাড়ির আশে পাশে বাগানে প্রতিদিন জুয়া ও মাদকের আসর বসায়। ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না সাধারণ মানুষেরা। অভিযুক্ত রফিক বেপারী বিষয়টি এড়িয়ে যায়। ঐ সন্ত্রাসী জুয়াড়ীদের গ্রুত গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়ে প্রশাসনের ঊধর্źতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এলাকাবাসী।