আগুন সন্ত্রাস বিএনপি’র প্ল্যানড গেম–প্রধানমন্ত্রী

7

ডেস্ক রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগুন সন্ত্রাস বিএনপি’র প্ল্যানড গেম। এখন যে নির্বাচনগুলো হচ্ছে সেখানে তারা (বিএনপি) নামকা ওয়াস্তে ক্যান্ডিডেট দেন, খুব হৈ চৈ করেন। এটা তাদের একটা পরিকল্পিত খেলা, প্ল্যানড গেইম। আমরা এখন জানি তারা এটাই করবে। কারণ তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা, নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করা। তিনি বলেন, ঢাকা-১৮ আসনে যখন নির্বাচনটা করতে গেলাম (১২ নভেম্বর) তখনও একই ঘটনা, কতগুলো বাসে তারা আগুন দিল। পার্লামেন্টে বিএনপি’র এক নেতা (সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ) এ ব্যাপারে প্রশ্ন তুললো। আমার কাছে এ বিষয়ে তার দলের লোকের বক্তব্যের ভিডিও রেকর্ড ছিল।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা আজ সকালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পাদক মন্ডলীর সভায় একথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি দলীয় প্রধান কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু এ্যাভেনিউতে অনুষ্ঠিত বৈঠকের সংগে যুক্ত হন।

তিনি বিএনপি’র প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে কিছু বলে সংগঠনের জন্য বাইরে থেকে ভাল ফান্ড আনতে পারবেন, বাংলাদেশকে এখনও দরিদ্র, ক্ষুধার্ত বা গরিব দেখিয়ে ফান্ড আনতে পারবেন। তবে, এই ফান্ডটা যায় কোথায়, কি কাজে ব্যবহার হয় তারও একাউন্টেবিলিটি থাকতে হবে, তারও হিসেব দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, অপপ্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা এবং বিদেশে গিয়ে বিদেশিদের কাছে অপপ্রচার করা, আজেবাজে কথা বলে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বদনাম করে আসা, এটা দুর্ভাগ্যজনক এবং তারা ঠিক (বিএনপি) এই কাজটাই করে যাচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন,সমালোচনা করা ভাল, এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারি কোথাও কোন ত্রুটি রয়েছে কি না। কিন্তু বিদেশে অপপ্রচারে যে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়, সেটা তারা ভুলে যায়।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তাঁর করে দেয়া ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রযুক্তির উৎকর্ষ এবং অবাধ বাক স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে মিডিয়াতে সরকারের ঢালাও সমালোচনার তীব্র নিন্দা জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি আমাদের এক ধরনের শহুরে লোক রয়েছে। আমরাই ডিজিটাল করে দিয়েছি, বেসরকারী টিভি চ্যানেল দিয়েছি, সবার হাতে মোবাইল ফোন দিয়ে দিয়েছি। এখন আমাদের দেয়া জিনিষ ব্যবহার করেই তারা বলছে যে, এটা হলো, ওটা হলোনা, তাদের কেউ দেখছে গণতন্ত্রই নাই।

তিনি বলেন, ‘তাদের কাছে জিজ্ঞেস করতে ইচ্ছে করে, তাহলে জিয়াউর রহমান যখন হত্যা, ক্যু, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে মার্শাল ল’ দিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছিল তখন কি গণতন্ত্র ছিল! নাকি ১৫ ফেব্রুয়ারি (’৯৬ সালে) নির্বাচনে খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে ক্ষমতায় গেল ওটা গণতন্ত্র!