আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার হবে ৫ লাখ কোটি টাকা–প্রধানমন্ত্রী

15

যুগবার্তা ডেস্কঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আগামী ১৩ জুন তাঁর সরকার আগামী অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করবে, যার আকার হবে ৫ লাখ কোটি টাকার বেশি। আমরা যখন সরকার গঠন করি তখন উন্নয়ন বাজেটের আকার ছিল ১৮/১৯ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু আগামী অর্থবছরে আমরা ২ লাখ কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেট প্রণয়ন করেছি।

আজ সরকারি বাসভবন গণভবনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের জন্য দেয়া এক ইফতার মাহফিলে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা নিয়ে একটি সুন্দর জীবন-যাপন করতে পারে আমরা তার জন্য সকল ব্যবস্থা করছি।

তিনি বলেন, ‘আমার একমাত্র প্রত্যাশা আপনারা দেশ ও জনগণের জন্য দোয়া করবেন, যাতে আমরা সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে পারি।’
বক্তৃতার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সকলকে রমজানের শুভেচ্ছা জানান এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০২০-২০২১ সালে মুজিব বর্ষ, ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও ২০৭১ সালে স্বাধীনতার শতবর্ষ উদযাপন করবো। আমরা বদ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছি, যাতে আগামী প্রজন্ম একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ পায় এবং উন্নয়ন টেকসই হয়।

ইফতারের আগে দেশ ও জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান মোনাজাত পরিচালনা করেন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, বেগম মতিয়া চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ, জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম এবং ইসলামী ঐক্য জোটের সভাপতি মিছবাহুর রহমান চৌধুরীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন।
এছাড়া মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি (জেপি), ওয়ার্কার্স পার্টি, জাসদ, গণতন্ত্রী পার্টি, সাম্যবাদী দল নেতৃবৃন্দসহ ১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দ, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব লীগ, যুব মহিলা লীগ, ছাত্রলীগ, কৃষক লীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জাতীয় শ্রমিক লীগ ও মহিলা শ্রমিক লীগ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর নির্বাচনের প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংলাপে যোগ দেয়া রাজনৈতিক দলগুলোর সিনিয়র নেতারা মাহফিলে যোগ দেন।