আগামীকাল ভ্যাকসিন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

8

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, দেশে যখন ভ্যাকসিন আসেনি তখন কিছু সমালোচনাকারী সরকার ভ্যাকসিন আনতে পারবে কিনা সেগুলো নিয়ে সমালোচনা করেছে। আলোচনা হয়েছে যখন দেশে ৭০ লাখ ভ্যাকসিন ইতোমধ্যেই নিয়ে এসেছে। তখন কিছু সমালোচনাকারী এই ভ্যাকসিন বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে দিচ্ছে যাতে মানুষ দেহে ভ্যাকসিন গ্রহণ না করে। এই ভ্যাকসিন ইউকে, ভারত-সহ অনেক দেশেই পরীক্ষিত হয়েছে। কোভিড-১৯ এর সকল ভ্যাকসিনের তুলনায় অক্সফোর্ডের এই ভ্যাকসিন বেশি নিরাপদ। দেশ থেকে ভাইরাস মুক্ত করতে হলে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করতে হবে। সেখানে যদি বাধা দেয়া হয়, গুজব ছড়িয়ে দিয়ে মানুষদের ভুল বুঝানো হয় তাহলে এই মহামারি দেশ থেকে চলে যেতে আরো বেশি সময় নিবে। কাজেই এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ নিয়ে রাজনীতি না করাই ভালো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আজ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ভ্যাকসিন প্রদান প্রক্রিয়াটির সবকিছুই করা হচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা বা গাইডলাইন অনুযায়ী। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যসেবায় যুক্তদের আগে ভ্যাকসিন দিতে হবে বলা আছে। সরকার সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে।

এর আগে মন্ত্রী কুর্মিটোলা হাসপাতালে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রম উদ্বোধন উপলক্ষে কার্যক্রমের প্রস্ততি পরিদর্শন করেন। এরপর সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কার্যক্রমও পরিদর্শন করেন তিনি।

উল্লেখ্য, আগামীকাল ২৭ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৩ টায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন উপলক্ষে শুধু কুর্মিটোলা হাসপাতালে কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়া হবে। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, বিএসএমএমইউ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা হাসপাতালে আগামী পরশু ২৮ জানুয়ারি থেকে ভ্যাকসিন দেয়া হবে। ভ্যাকসিন প্রয়োগের পর কোনোরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তার জন্য প্রতিটি হাসপাতালেই আলাদাভাবে চিকিৎসা সেবা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর এবিএম খুরশিদ আলম উপস্থিত ছিলেন।