আওয়ামী লীগের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টি করত কিছু লোক সক্রিয় হয়ে উঠেছে

আশিকুল কায়েসঃ মাগুরা জেলায় রাধাডাঙ্গা গ্রামে প্রধান সড়কের সাথে সংযুক্ত কাঁচা রাস্তা ইটের সোলিংকে কেন্দ্র করে চলছে তুমুল প্রতিযোগিতা। আওয়ামী লীগের একপক্ষ বিএনপির পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছে আর তাতে শুরু হয়েছে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
বুনাগাতী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুলার রহমানের বাড়ীর পাশ দিয়ে যাওয়া সংযুক্ত রাস্তাটি গ্রামের সনাতন ধর্মালম্বীসহ অন্যান্য সম্প্রদায়ের মানুষেরাই বেশি ব্যবহার করে। এটি ইটের সোলিং করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদ থেকে পাশ করা হয়। রাস্তার ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারই প্রতিবেশী বিএনপি কর্মী মিকাইল মোল্যার চার ছেলে (পান্নু, নান্নু, ঠান্ডু, চন্নু) সহ তার পরিবার। স্থানীয় প্রভাব খাটাতে পারিবারিক সূত্রে নিকটাত্মীয় উপজেলা আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাদের যোগসাজসে বিএনপির রূপ ঢাকতে নিজেদের গ্রামের আওয়ামী লীগের সাথে হাত মেলানোর চেষ্টা করে। গ্রামে অবস্থান শক্ত করতে না পেরে অন্যগ্রামের আওয়ামী লীগের সাথে হাত মেলানোর খবর পাওয়া গেছে। আর তাতে মদদ দিচ্ছে উপজেলা পর্যায়ের কতিপয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীগণ। উকিল কমিশনের মাধ্যমে অযৌক্তিভাবে জমি সনাক্ত করে নেয়। স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মকবুলার রহমান উপজেলা নেতাদের চাপে পড়ে সুবিধাস্থানে নেই বললেই চলে। ফলে গ্রামে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির দিকে এগুচ্ছে।
এঘটনায় মকবুলার রহমানের ভাতিজা সৃজনশীল ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের সভাপতি আশিকুল কায়েস নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মধ্যে অরাজকতা সৃষ্টি করতে দলের মধ্যেই কিছু লোক সক্রিয় হয়ে উঠেছে। ফলে বিএনপির মদদপুষ্ট হয়ে অপ্রকাশ্যে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দলের মধ্যে থেকে এধরনের আগাছা পরিস্কার না করতে পারলে আওয়ামী লীগ সরকারকেই কঠিন মুহুর্তের মধ্যে একসময় পার করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদ সত্য ও ন্যায়ের সঙ্গ সারাজীবন দিয়েছে ভবিষ্যতেও তারা সত্যের সঙ্গে সংগ্রাম করে যাবে। প্রয়োজনে এঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে তরুণ লেখক পরিষদের সদস্যরা প্রতিটা পদক্ষেপে দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিতে প্রস্তুত। তাই অবিলম্বে সরকারকে এই সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।