অসত্য কথা বলার ফেরিওয়ালা আপনারা–রিজভি

4

ডেস্ক রিপোর্ট: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গত দু’দিন আগে বলেছেন-‘বিএনপি চিরাচরিত মিথ্যাচার করছে। এ প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেন যে, ‘বিএনপি বলেছে এই সরকার করোনা রোগীদের পরিসংখ্যানে ৮২ হাজার রোগীর নাম বাদ দিয়েছে’। তিনি বলেছেন ৮২ হাজারের তথ্য কোথায় পেয়েছেন এবং এই তালিকা জানতে চেয়েছেন।
ওবায়দুল কাদের সাহেবের উদ্দেশ্যে বলতে চাই-বানোয়াট এবং অসত্য কথা বলার ফেরিওয়ালা আপনারা। আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি গত ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখের বহুল প্রচারিত ‘নিউ এজ’ ইংরেজি পত্রিকাটির প্রধান শিরোনাম দেখুন। ৮২ হাজার নয়, ৮৪ হাজার করোনা রোগী সরকারের ডাটাবেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। ডিজি হেলথ সার্ভিস কি সরকারী নাকি বিরোধী দলীয় প্রতিষ্ঠান ? এটি প্রত্যক্ষভাবে একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান। তাদের ডাটাবেজ থেকে ৮৪ হাজার রোগীর নাম হারিয়ে গেল কিভাবে ? এই তথ্যটি এমন একটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে যেটি জনগণের নিকট বিশ্বাসযোগ্য গণমাধ্যম। এই সংবাদ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে-সরকারী ডাটাবেজে এলাকাভিত্তিক করোনার সংখ্যা ও সংক্রমণের হারেরও তেমন তথ্য নেই। এখন আমি বলতে চাই-উল্লিখিত পত্রিকাটি পাঠ করে ওবায়দুল কাদের সাহেবের নিজের আত্মমর্যাদার কথা চিন্তা করে এই মূহুর্তে পদত্যাগ করা উচিত। জনসম্মুখে ডাহা মিথ্যা উল্লেখ করার পর একজন মন্ত্রীর কোনক্রমেই দায়িত্বে থাকা তাঁর মর্যাদার সাথে বেমানান।
আজ (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রেস কনফারেন্স একথা বলেনস তিনি।
তিনি আরও বলেন, সরকার শুরু থেকেই করোনা রোগীর আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে মিথ্যাচার করেছে। জাতির সামনে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে না। করোনার টেষ্ট কমিয়ে দিয়ে করোনা রোগী নেই বলে জনগণকে ধাপ্পা দিয়ে বিপদের মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে।

এই নেতা আরও বলেন, খিঁচুড়ি রান্না প্রশিক্ষণের জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের বিদেশ পাঠানো হচ্ছে। ইতোপূর্বে পুকুর খননের প্রশিক্ষণের জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের বিদেশ পাঠানো হয়েছিল। এছাড়াও পাবদা মাছ চাষের প্রশিক্ষণ নিতে সরকারী কর্মকর্তারা বিদেশে গিয়েছিলেন। বন্ধুরা, এসব অভিনব ও হাস্যকর তামাশা কেবলমাত্র শেখ হাসিনার আমলেই সম্ভব। আবহমানকাল ধরেই উল্লিখিত বিষয়গুলি সাধারণ মানুষের রপ্ত। অথচ সেইসব বিষয়ে সরকারী কর্মকর্তাদের বিদেশ পাঠানোতে একটি প্রবাদ মনে পড়ে যায়-‘সরকারী মাল দরিয়া মে ঢাল’। মোটা অংকের বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করে ফালতু কাজে সরকারী কর্মকর্তাদের বিদেশ পাঠানো মূলত: মিডনাইট নির্বাচনে সহায়তা করার জন্য সরকারী কর্মকর্তাদের উপঢৌকন দেয়া।