অগ্রসর সমাজ প্রতিষ্ঠায় রুহুল আমিনের মত নিবেদিত মানুষের আজ বড়ই প্রয়োজন

যুগবার্তা ডেস্কঃ দেশ আজ আইনের শাসনের সংকটের গভীরতায় নির্মজ্জিত হচ্ছে, বিচারিক আদালতের দীর্ঘ সুত্রিতার বেড়াজালে সন্ত্রাসবাদ, নারী ও শিশু নির্যাতনকারী সংখ্যালঘু ও আদিবাসী নির্যাতনকারী লুটেরা সাম্প্রদায়িকতাবাদী শক্তিসমূহ দিন দিন বেপরোয় হয়ে উঠেছে, একই সাথে সারা দেশে নারী-শিশু ধর্ষনের মহাউৎসব মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। এই দু:সময়ে অসাম্প্রদায়িক ধারাকে শানিত করা না গেলে জাতীয় জীবনের সকল অর্জন ক্রমান্বয়ে হারিয়ে যাবে, দেশে উগ্রবাদীরা তাদের প্রভাব বিস্তারের সূযোগ লাভ করবে। এই কঠিন সময়ে বাঙালীর ইতিহাসের চিরচেনা নববর্ষের নবচেতনায় জাতীয় জাগরণ গড়তে দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ ঐক্যবদ্ধ হোন। দেশকে সাম্প্রদায়িকতার বাতাবরন থেকে মুক্ত করুন।

শুক্রবার বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য সুপ্রীম কোটের আইনজীবি রুহুল আমিন পাটোয়ারীর শোকসভায় সভাপতির বক্তব্য সংগঠনের সভাপতি জিয়াউদ্দিন তারেক আলী উপরোক্ত মন্তব্য করেন। সভায় শোক প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী সালমা সুলতানা।

বক্তব্য রাখেন সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আজিজুর রহমান, আব্দুল মোনায়েম নেহেরু, জয়ন্তী রায়, ঐক্য ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আসাদুল্লাহ তারেক, গণতান্ত্রিক আইনজীবি সমিতির নেতা এডভোকেট এসএমএ সবুর, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ, কেন্দ্রীয় সম্পাদক মন্ডলীর নেতা অধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, একে আজাদ, বাপ্পাদিত্য বসু, মামুনুর রশীদ, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম রসুল, মো: নুরুল আমিন, আবু তাহের মিয়া, রুহুল আমিন পাটোয়ারির বড় ছেলে তৈমুর জাহান পাটোয়ারি প্রমূখ।

সভায় জিয়াউদ্দিন তারেক আলী আরও বলেন, রুহুল আমিন পটোয়ারী আমাদের সংগঠনের একজন প্রাণপুরুষ ছিলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে তিনি লোভ লালসার উর্দ্ধে থেকে সংগঠনের বিস্তাবে ও সমাজ প্রগতির ধারাকে অগ্রসর করে নিতে নিরলস কাজ করে গেছেন। এই সময়ে রুহুল আমিনের মতো নিবেদিত মানুষদের দেশের কাজে বড়ই প্রয়োজন। তার চলে যাওয়ার শুন্যতা অপূরণীয় হয়ে থাকবে।